পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


s's हैया कन्छ । মাষ্টার মহাশয় রাজকুমারকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “দেখ রাজকুমার মদ খাওয়াট। যে দোষ নয়, আমি তা বলি মা । কেবল আমাদের গ্রাম কেন, সমস্ত বাঙ্গালা দেশের প্রত্যেক জেলায় প্রত্যেক লোকের বাড়ীতে যদি অনুসন্ধান করে দেখে, তবে দেখতে পাবে যার বাড়ীতে পাঁচজন পুরুষ র্তাদের মধ্যে চারজন মদ খায় । আর একটা কথা, সমস্ত দিন পরিশ্রম করে সন্ধার সময় একটু ফুৰ্ত্তি না করলে শরীর কদিন বয় বল দেখি ! কিন্তু ফুৰ্ত্তি কৰ্বে গিয়ে হুররে হুররে করে বেড়ানটা বড় ভাল নয়। এই আমি মদ খাই, বোধ হয় তুমি পৰ্য্যস্ত জান না । বিশ্বাস না হয় স্বচক্ষে দেখ । মাষ্টার মহাশয় ব্রাজকুমারের সন্মুখ হইতে মদ্যপূর্ণ গ্ল্যাস লইয়া পান করিলেন । রাজকুমারের মুখে কথা নাই। হ্যামবাবু রাজকুমারকে বলিলেন, “দেখ রাজকুমার একদিন একগ্ন্যাস মদ খেলে লোকে তোমাকে মাতাল বলবে না । আজ যদি তুমি আমার এই অনুরোধটি রাখ, এই গ্ন্যাসটা খাও, নগদ পাঁচ টাকা ।” তাম বাবু পকেট হইতে পাঁচটা টাকা বাহির করিয়া রাজকুমারের কস্তে দিলেন । - টাক পাচট হস্তে পাষ্টয়া রাজকুমারের মন উদ্বেলিত হইল । মনে হইল একদিন একগ্ন্যাস মদ খেলে লোকে মাতাল বলবে না, একথা ঠিক । তবে এই মদ টুকু খেয়ে টাকা কয়ট লই না কেন ? কিন্তু আর থাবে না।” এই সময়ে খামবাবু গ্লাসে মদপূর্ণ করিয়া রাজকুমারের হস্তে দিলেন ; আর রাজকুমাররাজকুমার উৎসরের পথে একপদ অগ্রসর হইল ; নিৰ্ব্বিয়ে পূর্ণগ্লাস শূন্য করিল। পোষ্টমাষ্টার বাবু “থ্যাঙ্ক ইউ” বলিয় রাজকুমারের হস্ত