পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নবম পরিচ্ছেদ । (?) هماسبسیحات= هد রাজকুমার বলিল “এখনি আমাকে বাড়ি যেতে হবে। পথে কারে সঙ্গে দেখা হবে’ইত্যাদি অনেক প্রকার আপত্তি করিল, কিন্তু পোষ্টমাষ্টার বাবুর কাছে কোন আপত্তিই টিকিল না । রাজকুমারের সম্মুখে মদের বোতল,—ম্পর্শ করিয়া দিবা করিলেন । অজ্ঞান রাজকুমার গ্ল'সের মদ টুকু উদরে দিল । আছা তুরস্থেরবন্দিনী, সৰ্ব্বত্র বিহারিণী সৰ্ব্বাণী, নানাবাণী, বিধায়িণী, পল্লিগ্রামে কাল বোতল অভাবে ভাণ্ড কল সী বাহিনী, অৰ্দ্ধপক্ক ধান্য বরণী, ধান্যেশ্বরী মা !—তোমার অপাৰ মহিমা,অনন্ত লীলা ! তুমি সত্যযুগে ব্ৰহ্মাকে মানস কন্যার উপর আসক্ত করিয়াছিলে । ত্রেতায় শিষ্যকে গুরুর উদরে দিয়াছিলে,দ্বাপরে যদুকুল নিৰ্ম্মল করিয়াছিলে,--আর কলিতে কি যে করিতেছ তাহ এ মূঢ় অধম পাপ মুখে আর কি বর্ণনা করিবে । ভূমি দুৰ্ব্বলের বল, নিরাশ্রয়ের আশ্রয়, শোকের সান্তন, চিন্তার শাস্তি, অসহায়ের সহায় । তোমার জোরে সাত সমুদ্র তের নদী পার হইয়। ইংরাজ লঙ্ক পুড়াইয়া ছার থার করিল । তুমি পতিত পাবণী অধম তারিণী । যাহার চোঁদপুরুষে ইংরাজী কাহাকে বলে জানে না. তোমার বিন্দু মাত্র তাহার উদরে প্রবেশ করিলে, সে ডেম ইয়ের আইজ’ সম্পূর্ণ বলিতে ন পারুক,কিন্তু ডেম ইয়োর রাইজ বলে । যে রাজকুমার সংসার চিন্তায় জর্জরিত ;–কিসে মান সন্ত্রম বজায় থাকিৰে, কিরূপে স্ত্রী পুত্র দিগকে দুবেলা দুই মুঠ থাইতে দিতে পারিব, সে তোমার প্রসাদে কেমন নির্ভাবনায় গামছা স্কন্ধে এক খুটি মুখে ধারণ করিয়া সোজীপপ থাকিতে বাকী পথে মাঠের উপর দিয়। চলিয়াছে । তাই বলি মা তোমার অপার মহিমা !