পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ । ميمسي ইতেছে, আর প্রাণপণে ছায়াময়ীর শুশ্রুষা করিতেছে । ইঙ্গচন্দ্রের কল্যাণে অর্থের অভাব নাই, একবারের জায়গার তিনবার গ্রাম্যবৈদ্য ছায়াময়ীকে দেখিতে আসিতেছেন ; দিনের মধ্যে তিন চারিবার স্বয়ং ইন্দ্রচন্দ্র আসিয়া সংবাদ লইতে. 〔更丐出 অন্তদিন অপেক্ষ অদ্য ছায়াময়ী কিছু ভাল আছে বলিয়। উঠিয়া বসিয়াছে ; সরস্বতী ছায়াময়ীর শিশু পুত্রদিগকে লইয় ছায়াময়ীর সঙ্গে গল্প করিতেছে, এমন সময়ে ইন্দ্রচন্দ্র আসিয়া উপস্থিত হইলেন । অন্য দিন ইলীচম আসিয়া উঠানে জাড়াইত,তথা হইতেই সংবাদ লইত; কিন্তু আজ ছায়াময়ী তাহার বিপরীত দেখিল । ইন্দ্রচন্দ্র একেবারে ঘরের দাওয়ার উপর আসিয়া দাড়াইয়াছেন । ছায়াময়ী জরে পড়িয়া রহিয়াছে, সর স্বতী ইন্দ্রচন্দ্র ঘটিত ব্যাপার কিছুই অবগত নহে, সুতরাং ন বলা মা ক ওয়া ইন্দ্রচন্দ্রকে দাওয়ার উপর আসিতে দেখিয়া কিছু বিস্থিত হইল ; সরস্বতী ইন্দ্রচঞ্জকে দেখিয়া গৃহের বাহিরে গেল, ইন্দ্রচন্দ্র ও তাহার পশ্চাৎগামী হইলেন । প্রায় অৰ্দ্ধঘণ্টা অতীত হইল তথাপি সরস্বতী প্রত্যাবর্তন করিল না দেখিয়া ছায়াময়ী কিছু ব্যস্ত হইল ; মনে মনে সরস্বতীর উপর কিছু বিরক্তও হইল । জ্যেষ্ঠ পুত্র সুরেন্দ্রকে বলিল ‘‘তোমার পিসি কোথায় গেল দেখে এস তো বাধা ।” বালক সংবাদ লইবার জন্য সরস্বতীর গৃহে প্রবেশ করিয়া মাহ যাহা দেখিল, মাতার নিকট আসিয়া অম্লান বদনে তাহাই বিবৃত করিল । বালক বলিল, “পিসি একটা বাবুর কাছে বসে গল্প কচ্চে ।” বালকের কথা শুনিয়া ছায়াময়ীর মনে বিষম সন্দেহ হইল ।