পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্ভার পরিষদ দিগের, তৎপরে বাজে লোকের গালি থাইল্প। কুপার বাটতে গায়ে হলুদের হলুদ লইয়া কনের বাটতে গেল । গায়ে হলুদ সমাধা হইল । এককালে যে সকল মন্ত্র সংস্কৃত ভাষায় রচিত হইয়াছিল, তাহ আধুনিক নিপাত ব্যাকরণের সূত্রান্তর্গত হইয়৷ পুরোহিত মহাশয়ের মুখ হইতে না হিন্দু না মুসলমান রূপে বাহির হইতে লাগিল । তিনি তাহারি সাহায্যে কৰ্ত্তাকে অভূতিক ক্রিয়া সমাপন করাইলেন। ক্ৰমে সন্ধ্যা হইয়া আসিল । গোধূলী লগে বিবাহ বলির সন্ধ্য হইতে না হইতে ‘ওরে একে ডাক তাকে ডাক’ বলিয়" একটা গোল পড়িয়া গেল । গ্রামস্থ সকলেই যথাসাধ্য বেশভূষায়: ভূষিত হইয়। —কেবল জুতা জোড়াট বিশ্বাসী---একে একে জমিদার বাটীতে উপস্থিত হইতে লাগিলেন । “সময় হয়েছে সময় হয়েছে আর দেরি করে। ন৷” বলিয়। আবার একটা শৰ । উঠিল, কিন্তু বর তার বাটীর ভিতর হইতে বাহির হয় না । কৰ্ত্তা তাড়াতাড়ি করিতেছেন, পুরোহিত মহাশয় বকfবকিকরিতেছেন ; বলিতেছেন “চারি দণ্ডের পর চারি দণ্ড বারবেলা, বারবেলা না পড়তে পড়তে যাত্র করতে হবে ।” অনেকক্ষণের পর গোবিনা অধিকারীর যাত্রার কৃষ্ণের ষ্ঠায় কপালে চন্দন, নাকে তিলক, হাতে বালা, লাল বেনারসী জোড় পরিয়া বর বাটীর ভিতর হইতে বাহির হইলেন । কনকাঞ্জলী লওয়া হইল ; বর বুচো পালকীতে উঠিয়া ধসিলেন । কাউরে চুলির খোলের অাওয়াজ পঞ্চম হইতে সপ্তমে উঠিল, বোমের আওয়াজে কানে তাল ধরিল, কদম ঝাড়ের সার, রংমশালের ধূম আকাশে তাল পাকাই উঠিতে লাগিল। দেশী ৰেহাৱার “হিপূপ্লে ংিপপ্লে" শব্দে বর লইয়া চলিল ; বর