বসে, ছুরি···হাঁ, ছুরি পর্যন্ত গিলে খায়!
এ নিয়ে তর্ক করে কোন লাভ নেই! এ অঞ্চলে হেন লোক নেই, যে সেই ভয়ঙ্কর শাদা লোকটার নাম না জানে··· মারো কাম্বা, যে লোকটা আগুন দিয়ে বান্ডাদের ঘর দোর সব জ্বালিয়ে দিয়েছিল··· কে না জানে যে মারো–কাম্বা যে-সে সেনাপতি নয়, সে রীতিমত তলোয়ার গিলে খেতে পারতো?
তাছাড়া ওদের অনেকের কাছেই এমন এক অদ্ভুত যন্ত্র আছে, যা চোখে লাগিয়ে ওরা বারাণ্ডাতে বসেই বহু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায়···ঘরে বসেই ওরা দেখতে পায় দূরে বহুদূরে চোখের আড়ালে কি সব ঘটছে···আশ্চর্য নয়? ভয় না করে উপায় কি?
হাঁ···আর একটা ব্যাপার ওদের ভেতর যারা ওঝা···তাদের ওরা বলে “ডক্তোরো”...সেই ডক্তোরোগুলো কি সাংঘাতিক লোক···যদি ইচ্ছে করে তোমাকে দিয়ে নীলজল প্রস্রাব করিয়ে দিতে পারে! হাঁ নীল সত্যিকারের নীলজল!
কিন্তু···তার চেয়েও ভয়ঙ্কর আর এক ব্যাপার আছে।
কিছুদিন আগে, ফ্রান্স থেকে যে নতুন সেনাপতি এসেছে, সবাই দেখেছে, সে হাসতে হাসতে নিজের হাত থেকে এক পুরু চামড়া তুলে পকেটে রেখে দিল! যদিও সেটা ঠিক, তার, গায়ের সেটা চামড়ার মতন দেখতে নয়···কিন্তু, তাতে কি যায় আসে? যে আসল চামড়া, তাতে কোন সন্দেহ নেই! আসল ব্যাপার
৩০