পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/১৩১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাজুলি তিস। তোডার রাজপ্ৰাসাদস্থিত একটি সুসজ্জিত সুন্দর প্রকোষ্ঠের মণিমুক্তাখচিত রৌপ্য পৰ্য্যাঙ্কোপরে দুগ্ধফেননিভ কুসুম শয্যায় একটি যুবতী ও একটি পুরুষ বসিয়া আছেন । যুবতীর অনুপম রূপজ্যোতি যেন কোন ভবিষ্যতের অমঙ্গল ছায়ায় ঈষৎ মলিনতা প্ৰাপ্ত হইয়াছে । যুবতী আনােত মস্তকে পদাঙ্গুলি সঞ্চাৰালন করিতেছিলেন । পুরুষটি যুবতীর স্কন্ধে হস্ত জ্ঞাপন করিয়া একটু আগ্রহের স্বরে জিজ্ঞাসা করিলেন ; ‘‘তোমার বাবাকে কি আমার প্রাথিত মন্মর প্রস্তরের কথা জানাইয়া ছিলে ? তিনি কি বলিলেন ?” যুবতী আনত বদন আরো সঙ্কচিত করিয়া কম্পিত কলেবরে ধীরে ধীরে বলিলেন, “জানাইয়াছিলাম, কিন্তু তিনি সন্মত হন নাই ।” ” বজ্ৰগম্ভীরনাদে পুরুষটি জিজ্ঞাসা করিলেন ‘{াক বলিয়াছেন ?” যুবতী ক্ষুদ্র হৃদয়ের সমস্ত বল সংগ্ৰহ করিয়া অতি কষ্টে বলিলেন, “তিনি বলিয়াছেন, আমার বোধ হয় নাপুজি। এইবার আমার সুদীকে চাহিবে । এরূপ YLD BDBD DBBDBBtB DS BBBBDS BB DDDDB BtY DDDBD uBBDD DDDD SS এই কথা শুনিবা মাত্র পুরুষবর উঠিয়া দাড়াইলেন । ক্রুদ্ধ সিংহের ন্যায় তাহার নেত্রযুগল হইতে অগ্নিস্ফূলিঙ্গ নির্গত হইতে লাগিল, আরক্তিম গণ্ডের প্ৰতিবিম্বে হীরক কুণ্ডল লোহিতাভা ধারণা করিল, কারদ্বয় মুষ্টিবদ্ধ হইল৷ তিনি ত্বরিতপদে সে স্থান ত্যাগ করিলেন । রমণী দ্বারদেশে আসিয়া বাহুবল্পী স্বারা পদাৰয় বেষ্টন করিয়া বলিলেন ‘’ ‘শান্ত হও । ক্ষমা কর।” “কি ? ক্ষমা !” এই বলিয়া সবলে বাহুবল্পী বিচ্ছিন্ন করিয়া পুরুষবর