পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/১৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভারতের লিখন প্ৰণালী । (পরিপুষ্টি)। এখানে প্রশ্ন হইতে পারে, যে সকল ভারতীয় বণিক ব্যাবিলন হইতে বর্ণজ্ঞান আহরণ করিয়া পশ্চিম ভারতে আনিয়াছিল, তাহারা তৎসহ তৎকালীন ব্যাবিলন-প্ৰচলিত লিখন-প্ৰণালী আনয়ন করে নাই কেন ? এই লিখন-প্ৰণালীর সাহায্যে কেবল যে তাহদের ব্যবসায়ের কাগজ পত্ৰ সুন্দরীরূপে লিখা চলিত তাহা নহে, তন্দ্বারা ইষ্টক খণ্ড বা কৰ্দম-বেদির ( tablets ) উপর পুস্তকাকারে লিখাও যাইতে পারিত। এ সমস্যা বড় কঠিন। কিন্তু এ সমস্যা কেবল ভারতেই উত্থিত হয় নাই । অন্যত্রও-ইউফ্রেটিস উপত্যকায় যে সকল ব্যবসায়ী বা জাতি বর্ণজ্ঞান শিক্ষা করে, তাহারাও ইষ্টক প্রভৃতির উপরে লিখিবার প্রণালী অনুসরণ করে নাই। ইষ্টক, tablet, এবং শিলা-সমস্তই কর্দমময় ; ভারতের বহু বিচ্ছিন্ন প্রদেশে ঐ সকলের উপর অক্ষর এবং পদরচনা করিতে দেখা যায়। ইষ্টকের অক্ষর BDLD LBBBDBtDBB S sDD DBBD BDK DB DDS Bu DDD SDBBD রাজমিন্ত্রির অস্তিত্ব পরিচায়ক । মাটীর tabletএর উপর কেবল ছোট ছোট ছত্র বা লিপি খোদিত হইত এবং শিলের উপরে উপাখ্যান ( legends ) সমূহই কেবল লিখিবার সাধারণ নিয়ম ছিল। এতদ্বারা বুঝা যায় যে, পুস্তক লিখিবার বা সংবাদ প্ৰভৃতি লিখিয়া পাঠাইবার উদ্দেশ্যে “কাদা’ জন-সাধারণের अरक्षा সচরাচর প্রচলিত ছিল না । ডাঃ Hacy এই কাদার tabletএর উপর লিখিত একখানি প্রাচীন লিপি আবিষ্কার করিয়াছেন। উহা একখানি ক্ষুদ্র বৌদ্ধ-লিপি। অবশ্য স্বর্ণ ও তাম্র প্রশস্তিও অতি পুরাতন এবং তৎকালে