পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আহেরিয়া ॥৫ 8 \) গিয়া তাহাকে মন্দির বন্ধ করিতে নিষেধ করিল। পরে তাহার কাণে কাণে কি কথা কহিল। পূজারি ঠাকুর রত্নসিংহ ও কৃষ্ণাকে সাবিত্রী দেবীর সম্মুখে লইয়া বসাইলেন। তাহার পর নূতন দুইগাছি ফুলের মালা আনিয়া উভয়ের গলে দিলেন। মীরা মালা দুইগাছি বদল করিয়া কৃষ্ণার হাত লইয়া রত্নসিংহের হাতে স্থাপন করিল। পুজারি ঠাকুর তাহাদিগকে দুইচারিটী মন্ত্র উচ্চারণ করিতে বলিলেন। মন্ত্র উচ্চারিত হইলে মীরা মন্দিরের শঙ্খটি লইয়া ফু দিল । সেই নীরব রাত্ৰিতে নীরব মন্দিরের শঙ্খধ্বনি পুষ্করের নীরব হৃদয়ে যেন একটু তরঙ্গ তুলিয়া দিল। সঙ্গে সঙ্গে রত্ন ও কৃষ্ণার হৃদয়ে তরঙ্গ বহিয়া গেল,। R , পাঁচ ছয় বৎসর অতীত হইয়াছে । পুষ্করের শুক্লাষ্টমীর ঘটনা ক্ষীণরেখার ন্যায় সকলের মনে জাগিতেছে। কৃষ্ণার হৃদয়ে ও যে তাহা উজ্জ্বলভাবে আছে, এরূপ বোধ হয় না । বালিকাসুলভ চাপল্যে মীরার কথায় সে রত্নসিংহের হাতে হাত দিয়াছিল ; কিন্তু তাহাই যে তাহার প্রকৃত বিবাহবন্ধন, ইহা সে মনে করিতে পারে নাই । অম্বরে ফিরিয়া আসিয়া মীরা'র সহিত তাহার দুই চারি দিন সে বিষয়ের কথাবাৰ্ত্ত হইয়াছিল । ক্রমে অন্যান্য ছেলেখেলার ন্যায়। তাহারও স্মৃতি ধীরে ধীরে মুছিয়া যায়। মীরা সে কথা লইয়া মাঝে মাঝে কৃষ্ণার সহিত রহস্য করিত বটে, কিন্তু কৃষ্ণার হৃদয় তাহাতে আর আন্দোলিত হইত না । যদি আবার কখনও রত্নসিংহের সহিত তাহার সাক্ষাৎ হইত, অথবা উভয়ে উভয়ের সংবাদ লাইত, তাহা হইলে তাহার চিত্ত হইতে সে দাগ কখনও মুছিয়া যাইত না । পুষ্করে সাক্ষাতের পর আর তাহদের দেখাশুনা BD DDD SS BDBDBDDD DBBBD BB LBB SDBD BB DDD D S BBBDLLS জীবনে এরূপ ছেলেগ্নেলা অনেক ঘটিয়া থাকে । কৃষ্ণার বয়স এক্ষণে সপ্তদশ অষ্টাদশ হইবে, সে বিবাহযোগ্য হইয়াছে। রাতপুতকন্যাগণের কিছু অধিক বয়সেই বিবাহ হয়, বিশেষতঃ রাজকন্যাগণের :উপযুক্ত পাত্র না মিলিলে তাহাদিগকে কিছু অধিককালই অপেক্ষা করিতে হয়। কৃষ্ণার ভাগ্যেও তাহাই ঘটিয়াছিল। কৃষ্ণা অন্বরের রাজকন্যা ; কাজেই তাহার