পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


●曼外 ऍडिशनिक किंढ् । রহিতই হইয়াছিল, এবং কেহ কেহ গোৰাধেরও নিষেধপত্র প্রচার করিয়াছিলেন। কিন্তু সেই সময় হইতে আবার হিন্দুদিগের প্রাধান্য জাগিয়া উঠে। মহারাষ্ট্রীয়, শিখ ও রাজপুত মোগালগণের সহিত প্ৰতিদ্বন্দ্বিতায় প্ৰবৃত্ত হইয়া মোগল সামাজ্যের ভিত্তি শিথিল করিয়া তাহার মূলোৎপাটনে সচেষ্ট হয়। সুতরাং সে সময়ে হিন্দু মুসলমানের যে কোনরূপ পার্থক্য পাকিতে পারেনা, ইহা বলা বাহুল্য। তাহা হইলেও তখন পৰ্যন্তঃমুসলমান দেশের রাজা ছিলেন, এবং জনসাধারণ পৃষ্ঠাহাদিগকে সেই রূপই দেখিত, এবং সে সময়ে হিন্দু ও মুসলমান সাধারণের মধ্যে কোনই পার্থক্য অনুভূত হইত না। উভয়ে ভিন্ন ধৰ্ম্মাবলম্বী হষ্টিলেও যেন এক মাতার সন্তানের ন্যায় অবস্থিতি করিত। এইরূপ সময়ে ভারতে ব্রিটিশ অধিকার স্থাপিত হয়। তদবধি হিন্দু মুসলমান একই অবস্থায় অবস্থিত । আমরা ভারত সাম্রাজ্যের বিষয় উল্লেখ করিলাম, এক্ষণে বাঙ্গলার কথা একটু বিশেষ ভাবে উল্লেখ করিতেছি, এবং সকলে দেখিবেন যে, বাঙ্গলায় উভয়ের মধ্যে সৌহার্দ ভাব অনেক দিন হইতেই প্ৰবৰ্ত্তিত হইয়াছিল। আমরা পূর্বে উল্লেখ করিয়াছি যে, ১৩৪। খৃষ্টাব্দে গৌড় বা বাঙ্গলা স্বাধীন সামাজা হইয়া উঠে। দিল্লীর বাদ সাহগণের ন্যায় 4গৗড়ের বাদসহগণ ও প্রখম প্ৰথম হিন্দুদিগকে তাদৃশ পীতির চক্ষে দেখিতেন না, কিন্তু অবশেষে ‘ষ্ট্যাহার' ও হিন্দুদিগের সাহায্য ব্যতীত রাজকাৰ্য্য পরিচালনা করিয়া উঠিতে পারেন নাই। ক্রমে তাহাদিগকেও হিন্দু কৰ্ম্মচারী নিযুক্ত করিতে হয়। তদ্ভিন্ন তৎকালে বাঙ্গলায় বারভূইয়া প্ৰথা প্রচলিত ছিল। পূৰ্ব্বে তীাহারা সকলেই হিন্দু ছিলেন। যদি ও মুসলমান রাজা আরম্ভ হওয়ায় হিন্দু ভুইয়ার স্থলে অনেক মুসলমান ভূঁইয়া এক এক বিস্তীর্ণ জনপদের অধীশ্বর হইতেছিলেন, তথাপি অনেক দিন পর্যন্ত হিন্দু ভূইয়ার সংখ্যাই অধিক ছিল । তাহাদের সাহায্যো গৌড়ের পাঠান সাম্রাজ্য রক্ষিত ও পুষ্ট হইয়াছিল। কাজেই অতি অন্ন কালের মধ্যেই বঙ্গদেশে হিন্দু মুসলমানের বিরোধ অন্তহিত হইয়া মিলন সংঘটিত হয় । ক্রমে তাহা বদ্ধিত হইতে থাকে । বাদ সাহ হুসেন সাহার সময় এই মিলন সুস্পষ্টরূপে দেখিতে পাওয়া যায়।