পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


O ঐতিহাসিক চিত্ৰ । অন্ততঃ একবার প্রাতিমোক্ষের ২২৭টি নীতি আবৃত্তি করিতে হইবে। যদি কোন আশ্রমের কাহারও মনে “প্ৰাতিমোক্ষের”। সুত্র না থাকে, তবে তাহাদের সৰ্বকনিষ্ঠকে নিকটবৰ্ত্তী আশ্রমে যাইয়া তাহা মুখস্থ করিয়া আসিতে হইবে। • ইহার পরেই আর একটি অনুশাসন পাওয়া যায়, তাহাতে বৌদ্ধগণ বর্ষাকালে পৰ্য্যটনে বাহির হইতে নিষিদ্ধ হইয়াছে, কিন্তু বজ্জিত বিধির মধ্যে দেখিতে পাওয়া যায় যে, যদি কোন ব্যক্তি সম্প্রদায়ের কাহাকেও বলিয়া পাঠান যে, “অনুগ্ৰহ করিয়া আসিয়া এই সুতাস্তাটি শিখিয়া যান, নতুবা তাহা একবারে বিলুপ্ত হইবে,” তবে এইরূপ গুরুতর। কাৰ্য্যব্যাপদেশে বর্ষাকালেও ভিক্ষু স্থানান্তরে যাইতে পরিবে । * এই সকল উক্তি এবং এবহ্মপ্রকার আরও বচ্চতর অংশ উদ্ধত করিয়া দেখান। যাইতে পারে যে, তৎকালে সুতান্তা ও লিখিয়া রাখিবার কথা কাহার মনে উদিত হয় নাই। সম্পূর্ণ সুতান্তা লিখিয়া রাখিলে ৬.৭ শত সূত্রের অধিক একখানি ক্ষুদ্র গ্ৰন্থ হইত। কিন্তু তাহা লিপিবদ্ধ করিবার বিষয় কেহই চিন্তা করেন নাই। যে সুতান্ত বিলপ্তির আশঙ্কায় তাহারা বর্ষাকালেও স্থানান্তরে যাইতে আদিষ্ট হইয়াছেন, তাহা লিখিয়া রাখিলে যে ধ্বংসমুখে পতিত হইতে পারে না, তাহাও "ণ্ঠাহীদের মনে স্থান প্ৰাপ্ত হয় নাই। পক্ষান্তরে আমরা জানিতে পারি, বৌদ্ধ জগতের এই অবস্থার বহু শতাব্দী পূৰ্ব্বে ভারতীয়গণের নিকট বৰ্ণ ( অক্ষর ) এবং লিখন-প্ৰণালী পরিচিত ছিল, এবং অল্প লিখার আবশ্যক হইলে প্ৰায়শই তাহারা উহার ব্যবহার করিতেন । কিন্তু বড়ই আশ্চর্য্যের বিষয় যে, বৌদ্ধগণ পূর্বোল্লিখিত অতি প্রয়োজনীয় স্থানেও লিখন-প্ৰণালী ব্যবহার করিতেন না। এসম্বন্ধে দ্বিবিধ কারণ উল্লেখ করা যাইতে পারে । ভারতীয়গণের মানসিক উন্নতি সাধিত হইবার পর বহুবিলম্বে লিখন-প্ৰণালী দেশে প্ৰবৰ্ত্তিত হয়। উহার প্রথম কারণ এই যে, তাহারা পূৰ্ব্ব হইতেই অৱত উপায় উদ্ভাবন করিয়াছিলেন। লিখন-প্ৰণালীর আবশ্যকতা পরবর্তী বংশীয়গণের YLL qq SDBDDDBYDS DBDDLuDBY KY DBBLLLLS S Y KYK DDBDB BBB Vinayan Texts, I. 3.o5.