পাতা:করিম সেখ - জলধর সেন.pdf/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করিম সেখ 62 ዓ দিকে চাহিয়, বলিল “র্কি রে, গুণ যে ছেড়ে দিলি! টান, छेन ।।” অধর তখন চীৎকার করিয়া বলিল “বড় মামা, এখানে একটা মানুষ মরার মত পড়ে আছে, এখনও মরে নি; তাই দেখছি।” মাঝি বলিল “নে, নে, আর মানুষ টানুষ দেখে কাজ নেই ; বেলা আড়াই পহর। হ’তে চোল্লো, শীগগির শীগগির চল।” নৌকার মধ্যে একজন আধ্যবয়সী ভদ্রলোক বাক্স সম্মুখে করিয়া কতকগুলি কাগজপত্ৰ দেখিতেছিলেন। মাঝির কথা শুনিয়া তিনি বলিলেন “রামমোহন, কি রে ?” । রামমোহন বলিল “কি জানি বাবু, ঐ অধরাটা বলছে যে, একটা মানুষ মরার মত না কি পথের উপর পড়ে আছে। তাই ওরা দাড়িয়ে দেখছে।” বাবু বলিলেন “মরার মত হ’য়ে মানুষ পোড়ে আছে ? নৌকা লাগাও রামমোহন ! শুনি, ব্যাপারটা কি ?” এই বলিয়া বাবুটী নৌকার বাহিরে আসিলেন এবং ফটিককে ডাকিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন । “ফট্‌কে, কি রে?” ফটিক বলিল “বাৰু, একটা মানুষ এখানে পোড়ে আছে; এখনও মরে নি।” এই সময়ের মধ্যেই নৌকা তীরসংলগ্ন হইল। বাবুটী নৌকা হইতে লাফাইয়া ডাঙ্গায় পড়িলেন এবং তাড়াতাড়ি কাদা ভাঙ্গিয়া উপরে উঠিয়া গেলেন ! তিনি বসিরের নিকট যাইয়া দেখিলেন সে চক্ষু চাহিয়া আছে, কিন্তু কথা বলিতে পারিতেছে না, এক একবার হাত নাড়িতেছে। বাবুটী তখন অধরকে বলিলেন “দৌড়ে, নৌকো থেকে খাবার জল একটু নিয়ে আয় তা অধরা” ل বাবুর কথা শুনিয়া অধর নৌকার দিকে দৌড়িয়া গেল। বাবুটী