পাতা:করিম সেখ - জলধর সেন.pdf/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VIR कद्र 6 tয নৌকায় তিনি কাছারীতে যাইতেছিলেন, সেখানি কাছারীরই নৌকা। রামমোহন, ফটিক ও অধর মাসিক বেতন পাইয়া থাকে। গোকুলপুরের নিকটেই তাঁহাদের কিছু জমিজমা আছে। তাহদের বাড়ী পূর্বে মেদিনীপুর জেলায় ছিল। বাদায় জমি পাইয়া এখন তাহারা এখানেই বাড়ী করিয়াছে। তাহারা জাতিতে কৈবৰ্ত্ত। রামমোহন ও ফটিক দুই ভাই। রামমোহনের একটী মেয়ে আছে, ফটিক নিঃসন্তান ; তাহার সন্তান হইবার আর আশাও নাই। একমাত্র ভগিনী যখন বিধবা হইল, রামমোহন তখন ভগিনী ও একমাত্ৰ ভাগিনেয় অধরকে বাড়ীতে আনিয়া তাহদের ভরণপোষণের ভার গ্ৰহণ করিল। তাহার পর তাহারা যখন দেশত্যাগ করিয়া বাদায় চলিয়া আসে তখন ভগিনী ও ভাগিনেয়কেও সঙ্গে লইয়া আসে। তাহারা তিনজনে জমিদার সরকার হইতে বেতন পায়, নায়েব মহাশয় কি অন্য কৰ্ম্মচারীর যখন কোথাও যাইতে হয় তখন তাহারা মাঝিগিরি করে ; অন্ত সময়ে চাষ আবাদ করে। নায়েব বাবুর নৌকা যখন কাছারীর ঘাটে পৌছিল, তখন বেলা প্ৰায় আড়াইট ; এত বেলা পৰ্যন্তও কাহারও স্নান আহার হয় নাই। নৌকা ঘাটে লাগিল বিপিনবাবু মাৰীদিগকে বলিলেন “তোরা খুব সাবধানে বসিরকে কাছারীতে নিয়ে আয়।” বসির বলিল “বাবু মশাই, আমাকে একটু ধরে নিয়ে গেলে আমি হোটেই যেতে পারবাে।” বিপিন বাবু বলিলেন “বেশ, তা যদি পাের ত ভালই। এই উপরেই কাছারীবাড়ী, বেশী দূরও যেতে হবে না।” । রামমোহন ও ফটিক নায়েব বাবুর জিনিসপত্র নামাইতে লাগিল, অধর বসিরের হাত ধরিয়া তীরে তুলিল। তাহার পর সে বলিল “বসির, তুমি আমার গায়ের উপর ভর দিয়ে চল। আর