পাতা:করিম সেখ - জলধর সেন.pdf/৮৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করিম সেখ 98 তখন বসির তাহার জীবনের সমস্ত কথা একে একে আঁধারকে বলিল, একটী কথাও বাদ দিল না। অধর সমস্ত কথা শুনিয়া বলিল, “তার পর ” । “ঘসির বসিল “তারপর এখন কি কোরব, তাই ভাবছি। ৰাড়ীতে তাদের যে কি অবস্থা হয়েছে, তারা বেঁচে আছে কি ম’রে গিয়েছে, কে জানে ? করিমের মনে আরও কি আছে তাই বা কি ক’রে বলব।” অধর বলিল “বসির ভাই, তোমার স্ত্রীর উপর কি সন্দেহ হয় ?” বসির বলিল “কিছুতেই না, কোন মতেই না।” অধর বলিল “আমারও সেই বিশ্বাস । হায় রে সংসার ! হায় রে বন্ধু!” তাহার পর , দুইজনে অনেক কথা হইল। তখন স্থির হইল পরদিন প্ৰাতঃকালে বিপিন বাবুকে সমস্ত কথা খুলিয়া বলিতে হইবে। অধর বলিল “তুই নিজে বলতে পারবি ত ? না আমি বলব ?” বসির বলিল “না, না, আমিই বলতে পারব। তিনি আমায়। বাঁচিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন! তাকে আমি খুব ব’লতে পারব। তার কাছে সব না ব’লে কি থাকতে পারি? এ দুনিয়ায় তুই আর ' তিনি-আর আমার কেউ নেই ভাই, কেউ নেই!” এই বলিয়া বসির বালকের মত কাঁদিতে লাগিল। অধর তাহাকে সাস্তুনা দিয়া শেষে বলিল “চল, বাড়ী যাই। কাল সকালে তোকে সঙ্গে ক’রে আসব। আমার সুমুখেই তুই বাবুকে সব কথা খুলে বলিস্রু-তারপর তিনি যা পরামর্শ দেন তাই করা যাবে।” এই বলিয়া দুইজনে নৌকা ছাড়িয়া অধরের মামার বাড়ীতে চলিয়া গেল। সে রাত্ৰিতে আর তাহাদের ঘুম