পাতা:করিম সেখ - জলধর সেন.pdf/৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করিম সেখ ఏరి গভীর রাত্রি,অন্ধকার, জনমানবশূন্য ; নদীর মধ্যে নৌকানাই ; কেবল এই ডিঙ্গীখানি ছোট একখানি পাল তুলিয়া দিয়া ভাটি গাঙ্গে ছুটতেছে ; আর সেই ডিঙ্গীর হাল ধরিয়া অধর প্রাণ খুলিয়া তন্ময় হইয়া গান গাইতেছে। ডিঙ্গীর মধ্যে বসিয়া বসির ও তাহার স্ত্রী নিৰ্বাক হইয়া এই গান শুনিতে লাগিল। তাহারা চাষ হইলে কি হয়, অধর নিরক্ষার কৈবৰ্ত্তের ছেলে হইলে কি হয় ; তাহাদের প্রাণ যে আজ স্বর্গের বাধনে বাধা পড়িয়াছে, তাহারা যে আজ ভগবানের কৃপা অযাচিতভাবে ভোগ করিতেছে।” তাহারা তখন কি আর এ শোকতাপ বিপদ আপদপূর্ণ পার্থিব জগতে আছে। অধরের সে কাতর কণ্ঠের ধ্বনি নিশ্চয়ই ভগবানের চরণে পৌঁছতেছে, নিশ্চয়ই—নিশ্চয়ই কাঙ্গালের ঠাকুর তাহার এই দীন দরিদ্র ভক্তের নিবেদন শুনিতেছেন। এমন করিয়া এমন সময়ে এমন গান গাইলে তঁহার আসন টলিবেই টলিবে । অধরের গান থামিলে বসির নৌকা হইতে বাহির হইল। সে তখন বলিল “অধর ভাই, আর একটা গান গা না ভাই! তোর গানের মধ্যে কি যেন আছে ।” অধর হাসিয়া বলিল “বসির ভাই, ডিঙ্গীর মধ্যে তোর যা আছে, তার থেকে বেশী এ দেশে আর কিছুই নাই। আল্লা বল, খোদা বল, দুর্গ বল, কালী বল, সবই ঐ।” । '. বসির কথাটা বোধ হয় বুঝিল না ; সে বলিল “তা হোক, দুই আর একটা গান গা । তোর গান শুনতে আমার বড় ভাল লাগে।” অধর বলিল “তোর ভাল লাগুক, আর না লাণ্ডক, গান গেয়ে BDDBBD DDD BD DBBDB DDSS DDD BDBB BBDK uuY কষ্টের সময়ও গান গাই ।” এই বলিয়া সে আবার গান ধরিল