পাতা:কলিযুগ (চন্দ্রশেখর সেন).djvu/১০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

le/* সাধুচরিত্রের সন্ন্যাসী অমৃতসরে উপস্থিত হইয়া নগরের প্রান্তে কুটীর নিৰ্ম্মাণ করতঃ অবস্থিতি করেন। ওমান সাহেবের পরিচিত কোন পঞ্জাবী যুবক তাহার প্রতি আকৃষ্ট হুইয়। সৰ্ব্বদ তাহার সেবাতে নিযুক্ত থাকে। নিতান্ত অনুরক্ত দেখিয়া সন্ন্যাসী মধ্যে মধ্যে তাছাকে কিমিয়া প্রস্তুত রৌপ্য বিক্রয় করিতে দেন। তাহার মূল্যদ্বারা মন্তান্ত দ্রব্যাদি সহ প্রত্যেকবার কিছু কিছু তাম্রমুদ্রা আনাইয়া লইতেন। একদা উক্ত যুবাভক্ত সাধুর নিকট কিমিয়া-প্রক্রিয়া ও শিক্ষা করিবার অভিলাষ প্রকাশ করায় তিনি বলেন, “ভারতে কেবল মাঞ্জ এক ব্যক্তি আম! অপেক্ষ শ্রেষ্ঠ আছেন, তিনি মকারাজ, আমি রাজ ; তিনি রূপাকে সোণা করেন, আমি তামাকে রূপা করি । পবিত্র চিত্ত পরার্থপর মানুষ ভিন্ন অপরের পক্ষে এ বিদ্যা শুভঙ্করী নহে । তুমি উছ শিখিতে এখনও উপযুক্ত হও নাই । এ বিদ্যা লোপ পায় তাহাও বাঞ্ছনীয় ; তবু যেন অপাত্রে প্রদত্ত ন হয়, ইহা আমাদের বিশেষ লক্ষ্য জানিবে ।” রজনীযোগে প্রক্রিয়া হইত বলিয়া যুৰাকে রাত্রিতে কুটীরের নিকট থাকিতে দেওয়া হইত না ; মুতরাং সে ব্যক্তি প্রত্যহ সন্ধ্যার পর নগরে গিয়া নিশিষাপন করিত ও প্রাতঃকালে ফিরিত । একরান্ত্রি সে সহরের কোন বেণ্ডার কুহকে পড়ে ; পরদিন যথাসময়ে কুটীরে পুনরাগমন করিলে সন্ন্যাসী তাহাকে অপবিত্র জানিয়া নিকটে আসিত্তে নিষেধ করেন। অলৌকিক শক্তিদ্বারা তিনি তাহার অপরাধ টের পাইয়াছেন, বুঝিতে পারিয়া যুব স্বীয় দোষ স্বীকার করতঃ

  • Transmutation of metals by Alchemy.