পাতা:কাব্যগ্রন্থ (অষ্টম খণ্ড).pdf/১৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শারদোৎসব লক্ষেশ্বরের কাছে ঋণী ; সেই ঋণ আমি পুথি লিখে শোধ দেব | ঠাকুরদাদা হায় হায় তোমার মত কাচা বয়সের ছেলেকেও ঋণ শোধ করতে হয় । আর এমন দিনেও ঋণশোধ ! ঠাকুর, আজ নতুন উত্তরে তাওয়ায় ওপারে কাশের বনে ঢেউ দিয়েছে, এপারে ধানের ক্ষেতের সবুজে চোখ একেবারে ডুবিয়ে দিলে, শিউলি বন থেকে আকাশে আজ পুজোর গন্ধ ভরে উঠেছে, এরি মাঝখানে ঐ ছেলেটি আজ পণশোধের আয়োজনে বসে গেছে এও কি চক্ষে দেখা যায় ? সন্ন্যাসী বল কি, এর চেয়ে সুন্দর কি আর কিছু আছে । ঐ ছেলেটিই ত আজ সারদার বরপুত্র হয়ে তার কোল উজ্জ্বল করে বসেছে । তিনি তার আকাশের সমস্ত সোনার আলো দিয়ে ওকে বুকে চেপে ধরেচেন। আহা, আজ এই বালকের ঋণশোধের মত এমন শুভ্র ফুলটি কি কোথাও ফুটেচে, চেয়ে দেখ ত! লেখ, লেখ, বাবা, তুমি লেখ, আমি দেখি! তুমি পংক্তির পর পংক্তি লিখচ, আর ছুটির পর ছুটি পাচ্চ,— তোমার এত ছুটির আয়োজন আমরা ত পণ্ড করতে পারব না। দাও বাবা, একটা পুথি আমাকে দাও, আমিও লিখি ! এমন দিনটা সার্থক হোক ! >8や