পাতা:কাব্যগ্রন্থ (অষ্টম খণ্ড).pdf/১৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শারদোৎসব বিদ্যা পেট ভরাবার নয় ; আমার আর এক বিদ্যা জানা আছে তাই তোমাকে শিখিয়ে দিচ্চি । এই বলে আমাকে রঙ দিয়ে চিত্র করে’ পুথি লিখতে শিখিয়েচেন । যখন অত্যন্ত অচল হয়ে উঠত তখন তিনি মাঝে মাঝে বিদেশে গিয়ে বীণা বাজিয়ে টাকা নিয়ে আসতেন। এখানে তাকে সকলে পাগল বলেই জানত। সন্ন্যাসী তুরসেনের বীণা শুনতে পেলেম না, কিন্তু বাবা উপনন্দ, তোমার কল্যাণে তার আর এক বাণ শুনে নিলুম, এর স্তর কোনোদিন ভুলব না। পাব, লেখ, লেখ । ছেলের ঐরে ঐ আসচে ! ঐরে লখা, ঐরে লক্ষনীপেচা । ( দৌড় ) লক্ষেশ্বর আ সৰ্ব্বনাশ ! যেখানটিতে আমি কৌটো পুতে রেখেছিলুম ঠিক সেই জায়গাটিতেই যে উপনন্দ বসে গেছে । আমি ভেবেছিলেম ছোড়াটা বোকা বুঝি তাই পরের ঋণ শুধতে এসেছে ! তা ত নয় দেখচি ! পরের ঘাড় ভঙাই ওর ব্যবসা । আমার গজমোতির খবর পেয়েছে । একটা সন্ন্যাসীকেও কোথা থেকে জুটিয়ে এনেছে দেখচি ! সন্ন্যাসী হাত চেলে জায়গাটা বের করে দেবে । উপনন্দ ! }(t8