পাতা:কাব্যগ্রন্থ (অষ্টম খণ্ড).pdf/২০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শারদোৎসব তখন উদ্ধস্বরের জোরেই আসর গরম করে তুলতে হয় ! কিন্তু বলে ত ভাল করলেম না ! মানুষের সঙ্গে কথা কবার ত বিপদই ঐ ! সেই জন্যেই কারো কাছে ঘেঁসি নে ! দেখো দাদা, ফাস করে দিয়োন ! ঠাকুরদাদা ভয় নেই তোমার ! লক্ষেশ্বর ভয় না থাকলেও তবু ভয় ঘোচে কই । যা হোক ঠাকুর, একা ঠাকুৰ্দ্দাকে নিয়ে অত বড় কাজটা চলবে না ! আমরা না হয় তিন জনেই অংশীদার হব । ঠাকুৰ্দ্দা আমাকে ফাকি দিয়ে জিতে নেবে সেটি হচ্চে না । আচ্ছা ঠাকুর, তবে আমিও তোমার চেলা হতে রাজি হলেম । ঐ যে ঝাকে বীকে মানুষ আসচে ! ঐ দেখ চ না দুরে—আকাশে যে ধুলো উড়িয়ে দিয়েচে ! সবাই খবর পেয়েচে স্বামী অপূর্ণব নন্দ এসেচেন । এবার পায়ের ধুলো নিয়ে তোমার পায়ের তেলো হাঁটু পর্য্যন্ত খইয়ে দেবে। যাই হোক তুমি যে রকম আলগা মানুষ দেখচি, সেই কথাটা আর কারো কাছে ফাস কোরোনা—অংশীদার আর বাড়িয়োনা ! কিন্তু ঠাকুর্দা, লাভলোকসানের ঝুকি তোমাকেও নিতে হবে ; অংশীদার হলেই হয় না ; সব কথা ভেবে দেখো ! ( প্রস্থান ) > ab"