পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/২১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন পঞ্চক । সেদিন উপাধ্যায় মশায় একঘর ছাত্রের সামনে বল্লেন, শোণপাংশু জাতটা এমনি বিশ্রী যে তা’র নিজের হাতে লোহার কাজ করে । আমি তাকে বল্লুম, ও বেচারারা পড়াশুনে কিছুই করেনি সে আমি জানি- এমন কি এই পৃথিব টা যে ত্রিশিরা রাক্ষসীর মাথামুড়োনো চুলের জট দিয়ে তৈরি তাও ঐ মূৰ্খরা জানে না, আবার সে কথা বলতে গেলে মারতে আসে,—তাই বলে’ ভালোমন্দর জ্ঞান কি ওদের এতটুকু ও নেই যে লোহার কাজ নিজের হাতে করবে ! আজ ত স্পষ্টই দেখতে পাচ্চি যার যে বংশে জন্ম তার সেই রকম বুদ্ধিই হয় । প্রথম শোণপাংশু । কেন, লোহ! কি অপরাধটা করেচে ? পঞ্চক । আরে ওট যে লোহা সে ত তোকে মানতেই হবে । প্রথম শোণপাংশু । তা ত হবে । পঞ্চক । তবে আর কি—এই বুঝে নে না ! দ্বিতীয় শোণপাংশু । তবু একটা ত কারণ আছে । পঞ্চক। কারণ নিশ্চয়ই আছে কিন্তু কেবল সেটা পুথির মধ্যে । সুতরাং মহাপঞ্চকদাদ ছাড়া আর অতি অল্প লোকেরই জানবার সম্ভাবনা আছে । সাধে মহাপঞ্চকদাদাকে ওখানকার ছাত্রেরা একেবারে পূজা করে । যা হোক ভাই তোরা যে আমাকে ক্রমেই আশচর্য্য করে দিলিরে ! তোরা ত খেসারিডাল চাষ ه ه لا