পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন বলে, যখন সমস্ত পাই তখনি অসল জিনিষকে পাই । সেইজন্তে ঘরে আমি দরজা দিতে পারিনে—দিনরাত্রি সব খুলে রেখে দিই। আচ্ছা পঞ্চক, তুমি যে তোমাদের আয়তন থেকে বেরিয়ে আস কেউ তা জানে না ? পঞ্চক । আমি জানি যে আমাদের আচাৰ্মা জানেন । কোনো দিন তার সঙ্গে এ নিয়ে কোনে কথা হয়নি--- তিনিও জিজ্ঞাসা করেন না আমি ও বলিনে । কিন্তু আমি যখন বাইরে থেকে ফিরে যাই তিনি আমাকে দেখলেই বুঝতে পারেন । আমাকে তখন কাছে নিয়ে বসেন, তার চোখের যেন একটা কি ক্ষুধা তিনি আমাকে দেখে মেটান ! যেন বক্টিরের আকাশটাকে তিনি আমার মুপের মধ্যে দেখে নেন । ঠাকুর, মেদিন তোমার সঙ্গে তাচার্স্যদেবকে মিলিয়ে দিতে পারল সেদিন আমার অচলায় তনের সব দুঃখ সুঢবে । দাদাঠাকুর । সেদিন আমার ও শুভ দিন হবে । পঞ্চক । ঠাকুর, আমাকে কিন্তু তুমি বড় অস্তির করে’ তুলেচ । এক এক সময় ভয় হয বুঝি কোনো দিন আর মন শান্ত হবে না । দাদাঠাকুর । আমিই কি স্থির আছি ভাই ? আমার মধ্যে ঢেউ উঠেচে বলেই তোমারও মধ্যে ঢেউ তুলচি । পঞ্চক । কিন্তু তবে যে তোমার ঐ শোণপাংশুর বলে ૨૦ 8