পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/২৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন জয়োত্তম । কিন্তু শাস্ত্রে কি এর— মহাপঞ্চক । শাস্ত্রে বিধি আছে । তৃণাঞ্জন । তবে আর ভাবনা কি ? উপাধ্যায়। মহাপঞ্চক, তোমার কিছুই বাধে না, আমার কিন্তু ভয় হচে । ( আচার্য্যের প্রবেশ ) আচার্য্য । বৎস, এতদিন তোমরা আমাকে আচাঘা বলে’ মেনেচ আজি তোমাদের সামনে আমার বিচারের দিন এসেচে ! আমি স্বীকার করচি তাপরাধের অস্ত নেই, অন্ত নেই, তা’র প্রায়শ্চিন্ত আমাকেই করতে হবে । তৃণাঞ্জন । তবে আর দেরি করেন কেন ? এ দিকে যে আমাদের সবপন (শ তয় ! জয়েন্তম । দেখ তৃণাঞ্জন, অস্তিাকুড়ের ছঠি দিয়ে তোমার এই মুখের গর্ভুটা ভরিয়ে দিতে হবে! একটু F || আচাৰ্য্য। গুরু চলে গেলেন, আমরা তার জায়গায় পুথি নিয়ে বসলুম ; তা’র শুকনে পাতায় ক্ষুধা যতই মেটে না ততই পুথি কেবল বাড়াতে থাকি । খাদ্যের মধ্যে প্রাণ যতই কমে তা’র পরিমাণ ততই বেশি হয় । সেই জার্ণপুথির ভাণ্ডারে প্রতিদিন তোমরা দলে ஆ_ •. 芝 ミ>b"