পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/২৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন এমনি দশা হয়েচে যে, সহজ কথাটা কিছুতেই মুখ দিয়ে বেরতে চায় না। আচাৰ্য্যদেব, কেবল ভালো করে’ না ডাকতে পেরেই আমাদের বুকের ভিতরটা এমন শুকিয়ে এসেচে, একবার খুব করে’ গলা ছেড়ে ডাকতে ইচছা করচে । কিন্তু গল! খোলে না যে—রাজ্যের পুথি পডে' পড়ে গল। বুজে গিয়েচে প্রভু ! এমন হয়েচে আজ কান্না এলে ও বেধে যায় ! আচাৰ্য্য । সেই জন্যেই ত ভাবচি আমাদের গুরু আসবেন কবে । জঞ্জাল সব ঠেলে ফেলে দিয়ে আমাদের প্রাণটাকে ; কেবারে সরল করে দিন—তাতে করে’ ধরে সকলের সঙ্গে মিল করিয়ে দিন । পঞ্চক । মনে হচ্চে যেন ভিজে মাটির গন্ধ পাচ্চি, কোথায় যেম বষ নেমেচে । আচাৰ্য্য । ওই পঞ্চক শুনতে পাচ্চ কি ? পঞ্চক । কি বলুন দেখি ? আচাৰ্য্য । আমার মনে হচ্চে যেন স্ট্র ভদ্র কাদচে । পঞ্চক । এখান থেকে কি শোনা যাবে ? এ বোধ হয় আর কোনো শবদ । আচায্য । তা হবে পঞ্চক, আমি তার কান্না আমার বুকের মধ্যে করে' এনেচি । তা'র কান্নাটা এমন করে? আমাকে বেজেচে কেন জান ? সে যে কান্না রাখতে পারে না তবু কিছু মানতে চায় না সে কাদচে । २७७ 9–30