পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/২৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন করে’ শুইয়ে দিয়েচে যে তাদেব সম্বন্ধে আর কোনো চিন্তা করবার দরকার নেই । মহাপঞ্চক। কিন্তু আমাদের দৈবজ্ঞ যে গণনা করে স্পষ্ট দেখিয়ে দিয়ে গেল যে--- উপাধ্যায়। তার চেয়ে ঢের স্পষ্ট দেখা যাচ্চে শত্রুসৈন্যদের রক্তবর্ণ টুপি গুলো ! ছাত্ৰগণ । কি সৰ্ব্বনাশ । সঞ্জীব । কিসের মন্ত্র তোমার মহাপঞ্চক ? তৃণাঞ্জন। আমি ত তখন বলে লুম এ-সব কাজ এই কঁচা বয়সের পুথিপড়া অকালপক্কদের দিয়ে হবার নয় ! বিশ্বম্ভর । কিন্তু এখন করা যায় কি ? তৃণাঞ্জন । আমাদের আচার্মাদেরকে এখনি ফিরিয়ে আনিগে । তিনি থাকলে এ বিপর্যন্ত ঘটতেই পার ত না । হাজার হোক লোকটা পাকা । সঞ্জাব । কিন্তু দেখ মহাপঞ্চক আমাদের আয়তনের যদি কোনো বিপত্তি ঘটে তাহলে তোমাকে টুকরোটুকরো করে ছিড়ে ফেলব। উপাধ্যায়। সে পরিশ্রমটা তোমাদের করতে হবে না, উপযুক্ত লোক আসচে । মহাপঞ্চক । তোমরা মিথা বিচলিত হুচ । বাইরের প্রাচীর ভাঙতে পারে, কিন্তু ভিতরের লোহার দরজা বন্ধ २8२