পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রাজা । রাজা ভরানো, চোখের পল্লবটি এমনি ছায়ামাখা, মুখের হাসিটি এমনি গভীরতার মধ্যে ডুবে থাকা । আবার শরৎ-কালে আকাশের পর্দা যখন দূরে উড়ে চলে’ যায় তখন মনে হয় তুমি স্নান করে তোমার শেফালি বনের পথ দিয়ে চলেচ, তোমার গলায় কুন্দফুলের মালা, তোমার বুকে শ্বেত চন্দনের ছাপ, তোমার মাথায় হালক। সাদা কাপড়ের উষ্ণাষ, তোমার চোখের দৃষ্টি দিগন্তের পারে- তখন মনে হয় তুমি আমার পথিক বন্ধু ; তোমার সঙ্গে যদি চলতে পারি তা হ’লে দিগন্তে দিগন্তে সোনার সিংহদ্বার খুলে যাবে, শুভ্রতার ভিতর মহলে প্রবেশ করব । আর যদি না পারি তলে এই বাতায়নের ধারে বসে কোন এক অনেক-দুরের জন্যে দীর্ঘনিশ্বাস উঠতে থাকবে, কেবলি দিনের পর দিন, রাত্রির পর রাত্রি অজ্ঞাত বনের পথশ্রেণী আর অনাঘ্ৰাত ফুলের গন্ধের জন্যে বুকের ভিতরটা কেঁদে কেঁদে ঝরে ঝরে মরবে। আর বসন্তকালে এই যে সমস্ত বন রঙে রঙীন, এখন আমি তোমাকে দেখতে পাই কানে কুণ্ডল, হাতে অঙ্গদ, গায়ে বসন্তী রঙের উত্তরীয়, হাতে অশোকের মঞ্জরী, তানে তানে তোমার বীণার সব ক’টি সোনার তার উতলা । এত বিচিত্ররূপ দেখচ তবে কেন সব বাদ দিয়ে X (t