পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/৫৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ফাঙ্কনী চীৎকারটা বারবার করচে বটে কিন্তু কারণটা একই রয়ে গেচে । ওরা সেই মহারাজের দুর্ভিক্ষকাতর প্রজা । মহারাজ, ব্রাহ্মণী মহারাজকে বলতে বলেচেন তিনি তার সর্ববাঙ্গে মহারাজের যশোঝঙ্কার ধবনিত করতে চান কিন্তু আভরণের অভাব-বশত শব্দ বড়ই ক্ষীণ হ’য়ে বাজচে । মন্ত্রী । মহারাজ ! ব্রাহ্মণীর আভরণের অভাবমোচন করতে যেন বিলম্ব না হয় । আর মন্ত্রীমশায়কে বলে’ দিন, আমরা সর্ববদাই পরমার্থচিন্তায় রত, বৎসরে বৎসরে গৃহসংস্কারের চিন্তায় মন দিতে হ’লে চিত্তবিক্ষেপ হয় অতএব রাজ-শিল্পী যদি আমার গৃহটি সুদৃঢ় করে’ নিৰ্ম্মাণ করে দেয় তাহলে তা”র তলদেশে শান্তমনে বৈরাগ্য সাধন করতে পারি। মন্ত্রী, রাজশিল্পীকে যথাবিধি আদেশ করে দাও । মহারাজ, এবৎসর রাজকোষে ধনাভাব । সে ত প্রতিবৎসরেই শুনে আসূচি। মন্ত্রী, তোমাদের উপর ভার ধন বৃদ্ধি করবার,আর আমার উপর ভার অভাব বৃদ্ধি করবার । এই দুইয়ের মিলে সন্ধি করে’ হয় ধনাভাব । মহারাজ, মন্ত্রীকে দোষ দিতে পারিনে। উনি দেখাচেন (*@ 8