পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/৭৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বলাকা হে হংস-বলাকা, আজ রাত্রে মোর কাছে খুলে দিলে স্তব্ধতার ঢাকা শুনিতেছি আমি এই নিঃশব্দের তলে শূন্যে জলে স্থলে অমনি পাখার শব্দ উদাম চঞ্চল । ड्रोक्नल মাটির আকাশ পরে ঝাপটিছে ডানা ; মাটির আঁধার-নীচে কে জানে ঠিকানা— মেলিতেছে অস্কুরের পাখা লক্ষ লক্ষ বীজের বলাকা । দেখিতেছি আমি আজি এই গিরিরাজি, এই বন, চলিয়াছে উন্মুক্ত ডানায় দ্বাপ হ’তে দ্বীপান্তরে, অজানা হইতে অজানায় । নক্ষত্রের পাখার সম্পন্দনে চমকিছে অন্ধকার আলোর ক্রনদনে । শুনিলাম মানবের কত বাণী দলে দলে অলক্ষিত পথে উড়ে চলে অস্পষ্ট অতীত হ’তে অস্ফুট সুদূর যুগান্তরে শুনিলাম আপন অন্তরে qరిరి