পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/১৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভানুমতী জিনি বসুমতী ভুজবলে, পাঞ্চালীরে তা’র পঞ্চপতি দিয়েছিল যত রত্ন মণি অলঙ্কার, যজ্ঞদিনে যাহা পরি ভাগ্য-অহঙ্কার ঠিকরিত মাণিক্যের শত সূচীমুখে দ্রৌপদীর অঙ্গ হ’তে,—বিদ্ধ হ’ত বুকে কুরুকুলকামিনীর—সে রত্নভূষণে আমারে সাজায়ে তা’রে যেতে হ’ল বনে । গান্ধারী হা রে মূঢ়ে, শিক্ষা তবু হ’ল না তোমার, সেই রত্ব নিয়ে তবু এত অহঙ্কার । একি ভয়ঙ্করী কান্তি, প্রলয়ের সাজ । যুগান্তের উল্কাসম দহিছে না আজ এ মণি-মঞ্জীর তোরে ? রত্ন-ললাটিকা এ যে তোর সৌভাগ্যের বজানলশিখা ৷ তোরে হেরি অঙ্গে মোর ত্রাসের স্পন্দন সঞ্চারিছে,—চিত্তে মোর উঠিছে ক্ৰন্দন,— আনিছে শঙ্কিত কর্ণে, তোর অলঙ্কার উন্মাদিনী শঙ্করীর তাণ্ডব-ঝঙ্কার । >br8