পাতা:কাব্যগ্রন্থ (পঞ্চম খণ্ড).pdf/৪২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হোরিখেলা দাসীর হাতে দিয়ে ফাগের থালা রাণী বনে এলেন হেনকালে । তান ধরিয়া ইমন ভূপালিতে বাশি তখন বাজচে দ্রুত তালে কেসর কহে—তোমারি পথ চেয়ে দুটি চক্ষু করেছি প্রায় কানা – রাণী কহে—আমারো সেই দশা !— একশো সখী হাসিয়া বিবশা,— পাঠানপতির ললাটে সহসা মারেন রাণী কাসার থালাখানা। রক্তধারা গড়িয়ে পড়ে বেগে পাঠানপতির চক্ষু হ’ল কানা। বিনা মেঘে বজরবের মত উঠল বেজে কাড়া-নাকাড়া । জ্যোৎস্নাকাশে চমকে ওঠে শশী, ঝনঝনিয়ে ঝিকিয়ে ওঠে অসি, সানাই তখন দ্বারের কাছে বসি গভীর সুরে ধরল কানাড়া । কুঞ্জবনের তরু তলে তলে উঠল বেজে কাড়া-নাকাড়া । 8እ®