পাতা:কাব্যগ্রন্থ (সপ্তম খণ্ড).pdf/৪৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উৎসর্গ শুনি বসে’ দ্বারের কাছে ঝরণা যেন তারেই যাচে বলে, “ওগো আজকে তোমার নাই কি কোন তৃষা, জলে তোমার নাই প্রয়োজন এমন গ্রীষ্মনিশা ?” আমিও কেঁদে কেঁদে বলি—“হে অজ্ঞাতচারী, তৃষ্ণ যদি হারাও তবু ভুলো না এই বারি ” হেনকালে হঠাৎ যেন লাগলো চোখে ধাধা। চারিদিকে চেয়ে দেখি নাই পাহাড়ের বাধা । ঐ যে আসে, কারে দেখি ? আমাদের যে ছিল, সে কি ? ওগো তুমি কেমন আছ, আছ মনের হুখে ? খোলা আকাশতলে হেথা ঘর কোথা কোন মুখে ? নাইক পাহাড়, কোনোখানে ঝরণা নাহি ঝরে, তৃষ্ণা পেলে কোথায় যাবে বারিপানের তরে ? সে কহিল “যে ঝরণা সেথা মোদের দ্বারে, নদী হ’য়ে সে-ই চলেচে হেথা উদার-ধারে । সে আকাশ সেই পাহাড় ছেড়ে অসীম পানে গেছে বেড়ে’ সেই ধরারেই নাইক হেথা পাষাণ-বাধা বেঁধে ।” “সবই আছে, আমরাত নেই” কইমু তারে কেঁদে । সে কহিল করুণ হেসে “আছ হৃদয়মূলে।” স্বপন ভেঙে চেয়ে দেখি আছি ঝরণাকুলে। 8 ᎼᏔ%