পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/১১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

o o কৃষিতত্ত্ব } শঙ্খালু। সরবতিয়া আলু, বিলাতি কেশুর। ইহ দোয়াস এবং পলি মৃত্তিকাতে উত্তম হয়। খিয়ার ও কঠিন মৃত্তিকাতে ভাল হয় না । ইহার ক্ষেত্রে সাের দেওয়া কৰ্ত্তব্য । ফরিদপুর, যশোহর, কৃষ্ণনগর, রঙ্গপুর, কলিকাতা ও তন্নিকটবৰ্ত্তী জেলাসকলে কিঞ্চিৎ অধিক উৎপন্ন হয় । বৈশাখ মাস হইতে আষাঢ় মাস পৰ্য্যন্ত বীজ বপনের সময়। যে ক্ষেত্রে জল বদ্ধ না হয়, এমত ক্ষেত্রে ইহা রোপণ করিবে। ক্ষেত্ৰ উত্তমরূপ চারি প{চ বার চাষ করিয়া ঢেলা ভাঙ্গিয় সমতল করিবে: এবং ঘাস মুথ্যাদি বাছিয়া পরিষ্কার করিতে হইবে, অতিশয় গভীর করিয়া কর্ষণ করিবে, এবং মৃত্তিক চুৰ্ণং করিতে হইবে। তদনন্তর দুই দুই ফুট অন্তর এক এক শ্রেণী করিয়া এক এক শ্রেণীতে দেড় ফুট অন্তর এক একটা বীজ বপন করিতে হয় । ইহার মূলে চারা হয় না। ফলের বীজ সংগ্ৰহ করিয়া বপন করা কীৰ্ত্তব্য । বীজের উপর আধা ইঞ্চির tওক| চাপা দিবে না । রোদগম হইয়া চারা লতাইবার উপযুক্ত হইলে দুই শ্রেণির মধ্যে যে স্থান থাকে, ঐ স্থানে লম্বা মাচা করিয়া তাঁহাতে উঠিবার উপায় করিয়া দিবে। সচরাচর দুই দুইটা চারার মধ্যে এক একটা এরও গাছ রোপণ করে এবং সেই গােছ আশ্ৰয় করিয়া গাছ বৰ্দ্ধিত হয়। ক্ষেত্র নিড়াইয়া পরিষ্কার রাখা কৰ্ত্তব্য । মাঘ, ফাঙ্কন ও চৈত্র মাসে ঐ সকল গাছের নীচে মূল বড় হয়। তখন ক্ৰমে খাবার যোগ্য মূল তুলিয়া লইবে। প্রথম বৎসর। ঐ সময় মূল না। উঠাইয়া তৎপর বৎসর। ঐ সময়ে মূল উঠাইলে অতিশয় বড় মূল প্রাপ্ত হইতে পরিবে। এই মূল কঁাচা ভক্ষণ করিতে হয় । ইহা অতিশয় স্নিগ্ধ ও মিষ্ট । গোজ অথবা মাছ আলু। দোয়াস হালকা মৃত্তিকাতে ইহা ভাল হয়, কঠিন বৃত্তিকাতে হয় না।