পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/১১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

কৃষিতত্ত্ব । Se অংশ মৃত্তিকা দ্বারা আবৃত করিয়া দিবে। সময়ে সময়ে ক্ষেত্র নিড়ান আবশ্যক। গাছ কিছু বড় হইলে এক এক মাস পরে গোড়া খুলিয়া মৃত্তিকা আলগা করিয়া দেওয়া কৰ্ত্তব্য নতুবা মূল বড় হয় না। যদি ক্ষেত্রে রোপণের সুবিধা না হয় তবে বাটীর কোন স্থানে কোদালি দ্বারা । মৃত্তিক খনন করিয়া উক্ত প্রণালীতে যত মুখী ( বেঁজি) রোপণের ইচ্ছা হয়, তত রোপণ করিয়া যত্ন করিলে বিশেষরূপ উৎপন্ন করা যাইতে পারে। ওলের গাছ মরিয়া গেলেই ওলের পূর্ণাবস্থা হয়। অগ্রহায়ণ মাস হইতে গাছ মরিবার সময়। গাছ সকল মরিয়া গেলে ওল তুলিবে। গাছ মরিবার পূৰ্ব্বে ও তুলিয়া ভক্ষণ করা যাইতে পারে। পূর্ণাবস্থার ওল অপেক্ষা ছোট ছোট ওলাই সুখাদ্য। পূৰ্ণাবস্থার ওল তুলিয়া তাহার মুখী ( বেজি) সকল ভাঙ্গিয়া পুনর্বার যথা সময়ে ক্ষেত্রে রোপণ করিলে ওল অধিক বড় হয় । যত্ন করিলে ওলা দশ সের পরিমাণ হইতে পারে । Ikhasihan 2न्मद | মানকচু। ইহা দোয়াস ও ফাস মৃত্তিকাতে উত্তম জন্মে। খিয়ার মৃত্তিকাতে বৰ্দ্ধিত হইতে পারে না, পলি মৃত্তিকাতেও জন্মে। যশোহরে একপ্রকার মান জন্মে, তাহ প্ৰায় এক হাতের অধিক দীর্ঘ হয় না । ইহা বড় সুস্বাদু হয়, এবং মুখ ধরে না । উক্ত জেলাতে ইহার অত্যধিক আবাদ হয়। রঙ্গপুর ও ময়মনসিংহ জেলার বহু স্থানে মান কচুর অধিক আবাদ হয়; যত্ন করিলে ছয় সাত হাত দীর্ঘ এবং তদুপযুক্ত স্থূল হয়। অধিক রসাযুক্ত ও নিয়ত ছায়া বিশিষ্ট মৃত্তিকাতে যে মান উৎপন্ন হয়, তাহাতে মুখ ধরে । অন্যান্য জেলায় অত্যন্ন মাত্র উৎপন্ন दश् । ইহার পুষ্পে বীজ হয় না ; সুতরাং বীজের চারা হয় না। পুরাতন গাছ