পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/১২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

दफु लिँझाख्न । ছোট পিয়াজ যে প্রকার মৃত্তিকাতে জন্মে ইহাও সেই প্রকার মৃত্তিকাতে উৎপন্ন হয়। কিঞ্চিৎ অপকৃষ্ট মৃত্তিকাতেও জন্মে। বঙ্গদেশের প্রায় সৰ্ব্বত্ৰেই ছোট পিয়াজ অপেক্ষা ইহার অধিক আবাদ श्श । আশ্বিন ও কাৰ্ত্তিক মাস বীজ বপনের সময়। প্রথমতঃ একস্থানে বীজ বপন করিয়া চারা জন্মাইতে হয়। পরে সেই চারা উঠাইয়া পৌষ মাসে স্থানান্তরে রোপণ করিতে হয় । সকল স্থানের উৎপন্ন বীজ অস্কুরিত হয় না। এই জন্য সর্বত্র চারাও জন্মায় না। ইহার চার জন্মান কিঞ্চিৎ কঠিন। যে স্থানের বীজে চারা জন্মে সেই স্থান হইতে বীজ ক্রয় করিয়া আনিয়া ক্ষেত্রে রোপণ করিতে হয়। বোধ হয় চেষ্টা করিলে সৰ্ব্বত্ৰেই চারা উৎপাদন করা যাইতে পারে। দুই হাত প্রশস্ত, দশ বার হাত দীর্ঘ এক এক খণ্ড ভূমির দুই পাশ্বে জোল কাটিয়া মৃত্তিকা দ্বারা ঐ স্থান কিঞ্চিৎ উচ্চ করিতে হয়। নীরস অথচ বালির ভাগ অধিক এই প্রকার মৃত্তিক বীজ বপনের উপযুক্ত। ক্ষেতের মৃত্তিকা ধূলিবৎ চূৰ্ণ করিয়া তাহাতে ঘন ঘন বীজ বপন করতঃ তাহার উপর অৰ্দ্ধ ইঞ্চি পরিমাণ বালি চাপা দিতে হয়। অধিক রসাযুক্ত মৃত্তিকাতে বীজ বপন कब्रिटल अक्रूद्ध नक्षे श् । অঙ্কুরিত হইয়া চারা অৰ্দ্ধ ফুট অথবা তাহা হইতে কিঞ্চিৎ অধিক উচ্চ হইলে উঠাইয়া ক্ষেত্রে রোপণ করিতে হয়। ছোট পিয়াজের নিমিত্ত ক্ষেত্র যে প্রকার কর্ষণাদি করিয়া প্রস্তুত করিতে হয় ইহার নিমিত্তও তদ্রুপ করিতে হইবে। ক্ষেত্র প্রস্তুত হইলে, চারা সকল जूलिझ। তাহারও শিকড়ের অগ্রভাগ কাটিয়া ফেলিবে । তৎপরে কোন এক পাত্রে খৈল ভিজাইয়া রাখিবো। রোপণের সময়ে শিকড়ে ও চারার মূলে সেই জল দিবে। শ্রেণি করিয়া ছােট পিয়াজের মত রোপণ করিতে হয়। ঘাস আদি এক বার নিড়ান আবশ্যক। গোড়ায় মূল श्gल श्ठ ब्राद्ध। भूडिक খুন্দিয়া আলগা করিয়া দিবে। মাঘ মাসের শেষে অথবা ফাস্তুন মাসের প্রথমে বৃষ্টি হইলে অধিক উৎপন্ন হয়। ঐ সময়ে বৃষ্টি না হইলে ক্ষেত্রে জল সোচন করা আবশ্যক। তাহা না করিলে মূল ছোট ও অতি অল্প छे९°न्न श्श्न । N