পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8次 কৃষিতত্ত্ব । তদ্রুপ মৃত্তিকাতে ইহাও উৎপন্ন হয়। বর্ষ। সময়ে যে স্থানের ক্ষেত্রে তিন চারি झुहिउद्भ अर्शिक डील श्न, 6न श्ाहन श्म नां । রঙ্গপুর, দিনাজপুর, রাজসাহী, ফরিদপুর প্রভৃতি জেলায় ইহার কিঞ্চিৎ ৷ আবাদ করে অন্যত্ৰ প্ৰায় আবাদ করে না । ফাঙ্কন, চৈত্র, বৈশাখ, এই তিন মাস বপনের সময়, এক বিঘাতে দশ সের বীজ বপন করিতে হয় । প্ৰথম চাষ হইতে নিড়ান লাঙ্গলা দেওয়া আদি সমুদয় কাৰ্য্য আণ্ড ধন্যের মত ; তদনন্তর পাক হইলে কৰ্ত্তন মদন আদি সমুদয় কাৰ্য্য শালিধা ন্যের মত করিতে হয়। এই ধান্য উত্তম রূপ ফলিলে এক বিঘাতে দশ মণি উৎপন্ন হয়। ইহাতে আতপ ও উশনা দুই প্রকার তণ্ডুলই হয়, আতপ অপেক্ষা উশনা ভাল হয়। এ ধান্য এক জাতি মাত্র দেখা যায়। কিন্তু ইহা মেহি হয় না। যত্ন পূর্বক রাখিলে দশ বৎশর রাখা যাইতে পারে। ষষ্টক । দ্বিতীয় প্রকার শরৎপঙ্ক, ষাটিয়া । রোপণের সময় হইতে যাট দিনের মধ্যে পঙ্ক হয়, এই কারণ ইহার নাম । যষ্টিক ( ষাটিয়া )। রঙ্গপুর, দিনাজপুর, বগুড়া জিলাতে ইহার অল্প অল্প আবাদ হয়। শালি ধান্যের নেওচা বিছন দ্বারা যে প্রকারে চার জন্মায়, সেই প্রকারে শ্রাবণ মাসের প্রথম চার জন্মাইবার নিমিত্ত ক্ষেত্ৰ প্ৰস্তুত করিয়া বীজ বপন করিতে হয়। 瞬 নদ নদীর চরের জল শুকাইয়া গেলে এবং তাহাতে পলি পড়িলে, সেই পলিযুক্ত পঙ্কিল চরে ঐ চারা রোপণ করা যাইতে পারে। তাঁহাই উত্তম হয়। শালি ধান্যের চারা যে প্রকার ক্ষেত্রে রোপণ করা যাইতে পারে, ইহাও তদ্রুপ ক্ষেত্রে রোপণ করা যায়। দুই ফুটের অধিক জলে এ ধান্য হয় না। চারা উঠান এবং রোপণ, কৰ্ত্তন মর্দন আদি সমুদয় কাৰ্য্য শালি ধান্যের | y ।