পাতা:ক্লিওপেট্রা (নবীনচন্দ্র সেন).pdf/২৪

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।

( ১৬ )

বসিলাম সিংহাসনে। বসিলাম?–ভীম
ভূকম্পনে, কিম্বা অগ্নি-গিরি-উদ্গীরণে,
টলিতে লাগিল মম নব সিংহাসন।
দেখিলাম অন্ধকার, ঘূরিল মস্তক,
পড়িতে ছিলাম সখি! মূর্চ্ছিত হইয়া
অকুল সাগরে। কি যে বীরপণা, সখি!
জলে, স্থলে, কি অনলে করিল বীরেশ,
স্বচক্ষে দেখেছ তুমি! শুনেছ শ্রবণে।
দেখিলাম মূর্চ্ছাভঙ্গে মেলিয়া নয়ন,
ভাসিয়াছে শিশু ভর্ত্তা শত্রুদল-সহ,
অনন্ত-জীবন-জলে; বসিয়াছি আমি
মিশরের সিংহাসনে,—বলিব কেমনে
সেই লজ্জা?—সিজারের হৃদয়-আসনে!
কৃতজ্ঞতা-রসে, সখি, ভরিল হৃদয়।
ধন, প্রাণ, সিংহাসন, প্ৰণয় দাতায়,
করিলাম, সহচরি, আত্ম-সমৰ্পণ।
কিন্তু সেই কৃতজ্ঞতা—জান সমুদয়—
সেই কৃতজ্ঞতা শেষে কোথা হ’লো লয়!
একে প্রাণদাতা, তাহে পৃথিবী ঈশ্বর,
ততোধিক ভুজবলে ভুবন-বিজয়ী,