পাতা:ক্লিওপেট্রা (নবীনচন্দ্র সেন).pdf/৩০

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।

( ২২ )

চলেছে রঙ্গিণী ওই, মৃদুল মৃদুল
সৌরভে করিয়া, মরি! ইন্দ্রিয় অবশ!
নগর, সজীব দীর্ঘ-দর্শক-মালায়,
সাজায়েছে দুই তীর। উচ্চ সিংহাসনে
অদূরে নগরে বসি একাকী এণ্টনি,
ডাকিছে অস্ফুট সিসে অপহৃত মন।
কিন্তু সখি! তৃষ্ণাতুর সহস্র নয়ন,
যে রূপ-সুধাংশু-অংশু করিতেছে পান
কে ওই রমণী,—সৰ্ব্বদর্শক-দর্শন?
ক্লিওপেট্রা? আমি? না, না, সখি!অসম্ভব
সেই যদি ক্লিওপেট্রা, আমি তবে নহি।
আমি যদি ক্লিওপেট্র, তরী-বিহারিণী
ওই চিত্র, নহে সখি! আমি দুঃখিনীর।
সেই মুখে হাসি-রাশি, এ মুখে বিষাদ;
সে হৃদয়ে সুখ, সখি! এ হৃদয়ে শোক।
সে যে ভাসিতেছে সুখে প্রণয়-সলিলে,
আমি ডুবিয়াছি হায়! নিরাশ-সাগরে।
যেই মনোহর বেশ, ওই চিত্রে, সখি!
শোভিতেছে মরি! যেন শারদ-কৌমুদী
বেষ্টিয়া কুসুম-বন, আজিও সে বেশে