পাতা:খগোলবিবরণ (নবীনচন্দ্র দত্ত).pdf/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

খাস্কিপে তৎকর্তৃক এক পৃথক জোয়ার इरेदाङ्गे गडांदनी हिन কিন্তু সুৰ্য্যাপেক্ষ চন্দ্র পৃথিবীর অনেক নিকটবর্তী হওয়াতে প্তাঙ্গার আকর্ষণশক্তি অধিক, এবং গেই শক্তি দ্বার। সৌর জোয়ার নিরাপ্তত হয়। পরীক্ষাদ্বারা স্থিরীকৃত হইয়াছে পৃথিবীর জলের উপর সৌরাকর্ষণের অপেক্ষা চান্দ্রাকর্ষণ অধিক, সুতরাং চন্দ্র ও সূর্য উভয়ে জল আকর্ষণ করিলে চাঙ্গাকর্ষণ সেীরাকর্ষণের পরিহার করিবে, এবং উভয়ে সমসূত্রে থাকিয় আকর্ষণ করিলে শক্তির আধিক্য হইবে ; ফলতঃ তাছাই ঘটিয়া থাকে। অমাবস্য, সময় চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে, অর্থাৎ তৎকালে চন্দ্রমণ্ডল সূর্যমণ্ডলের অধোভাগে অবস্থিতি করে ; অতএব উভয়ে মিলিত হইয়া জল আকর্ষণ করে এ জন্য অন্য দিনের অপেক্ষ ঐ দিনে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয় । ইহা পঞ্চবিংশতি চিত্ৰক্ষেত্র দেখিলে বিশেষৰূপে হৃদয়ঙ্গম স্থই ল ৷ পূর্ণিমার সময়ে সুর্য ও চন্দ্র পরল্পর নভোমণ্ডলের বিপরীত ভাগে উদয় হয় । চন্দ্র যখন পূর্বভাগে সূর্য্য পশ্চিমভাগে অবস্থিতি করে, এবং চন্দ্র যখন পশ্চিমদিকে, সূৰ্য্য তখন পূর্বদিকে উদয় ছয় । পূর্বে প্রতিপাদিত হইয়াছে, চন্দ্রমণ্ডল ভূমণ্ডলের যে ভাগের উপর যখন অবস্থিতি করে, তখন সেইভাগে ও তাছার বিপরীত ভাগে জোয়ারের উৎপত্তি হয়, সেইৰূপ আবার সুর্য্যও যে ভাগের উপর উদিত হয়, সেইভাগের ও তাছার বিপরীত ভাগের জলও সুর্য্যদ্বারা এক সময়েই কথঞ্চিৎ উচ্ছ,সিত হয় । অতএব, যখন চন্দ্র সুর্য্য পরল্পর বিপরীতদিকে থাকে, তখনও উভয়ের আকর্যণ উভয়দিকের জোয়ার প্রৰল করিয়া তোলে, এই ৱিৰিক্ত অমাবস্যার ন্যায় পুশিমার সময়েও জোয়- ‘ 寮 , , * - >.