প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মসলমানীর গল্প ᏑᏓᎴᏬ নেবে না, তোমাকে পথের মধ্যে ফেলে দিয়ে যাবে। নাহয় একবার পরীক্ষা করে দেখো ।” হবির খাঁ কমলাকে তার কাকার খিড়কির দরজা পৰ্যন্ত পৌছে দিয়ে বললে, “আমি এখানেই অপেক্ষা করে রইলাম।” বাড়ির ভিতর গিয়ে কাকার গলা জড়িয়ে ধরে কমলা বললে, “কাকামণি, আমাকে তুমি ত্যাগ কোরো না।” 鹽 কাকার দলই চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগল। কাকী এসে দেখে বলে উঠল, “দরে করে দাও, দরে করে দাও অলক্ষয়ীকে। সবনাশিনী, বেজাতের ঘর থেকে ফিরে এসেছিস, আবার তোর লজা নেই!” কাকা বললে, “উপায় নেই মা! আমাদের যে হিন্দরে ঘর, এখানে তোমাকে কেউ ফিরে নেবে না, মাঝের থেকে আমাদেরও জাত যাবে।” মাথা হেট করে রইল কমলা কিছুক্ষণ, তার পর ধীর পদক্ষেপে খিড়কির দরজা পার হয়ে হবিরের সঙ্গে চলে গেল। চিরদিনের মত বন্ধ হল তার কাকার ঘরে ফেরার কপাট । হবির খাঁর বাড়িতে তার আচার ধম পালন করবার ব্যবস্থা রইল। হবির খাঁ বললে, “তোমার মহলে আমার ছেলেরা কেউ আসবে না, এই বড়ো রাহমণকে নিয়ে তোমার পজা-আৰ্চা, হিন্দুঘরের আচার-বিচার, মেনে চলতে পারবে।” এই বাড়ি সম্বন্ধে পর্বকালের একটা ইতিহাস ছিল। এই মহলকে লোকে বলত রাজপতানীর মহল। পবেকালের নবাব এনেছিলেন রাজপতের মেয়েকে কিন্তু তাকে তার জাত বাঁচিয়ে আলাদা করে রেখেছিলেন। সে শিবপজা করত, মাঝে মাঝে তীর্থভ্রমণেও যেত। তখনকার অভিজাত বংশীয় মুসলমানেরা ধমনিষ্ঠ হিন্দকে শ্রদ্ধা করত। সেই রাজপুতানী এই মহলে থেকে যত হিন্দ বেগমদের আশ্রয় দিত, তাদের আচার-বিচার থাকত অক্ষম। শোনা যায় এই হবির খাঁ সেই রাজপতানীর পত্র। যদিও সে মায়ের ধর্ম নেয় নি, কিন্তু সে মাকে পজা করত অন্তরে। সে মা তো এখন আর নেই, কিন্তু তার সমতি-রক্ষাকলেপ এই রকম সমাজবিতাড়িত অত্যাচারিত হিন্দ মেয়েদের বিশেষভাবে আশ্রয় দান করার ব্ৰত তিনি নিয়েছিলেন। কমলা তাদের কাছে যা পেল তা সে নিজের বাড়িতে কোনোদিন পেত না । সেখানে কাকী তাকে দরে ছাই করত— কেবলই শনত সে অলক্ষী, সে সবনাশী, সঙ্গে এনেছে সে দভোগ্য, সে ম’লেই বংশ উদ্ধার পায়। তার কাকা তাকে লুকিয়ে মাঝে মাঝে কাপড়-চোপড় কিছু দিতেন, কিন্তু কাকীর ভয়ে সেটা গোপন করতে হত। রাজপতানীর মহলে এসে সে যেন মহিষীর পদ পেলে। এখানে তার आमट्ब्रब्र अन्ठ इिल ना। काब्रि मिएक उाग्न मानमाजौ, नबहे शिन्मद घरब्रब्र झिल । অবশেষে যৌবনের আবেগ এসে পৌঁছল তার দেহে। বাড়ির একটি ছেলে লকিয়ে লুকিয়ে আনাগোনা শরে করল কমলার মহলে, তার সঙ্গে সে মনে-মনে বাঁধা পড়ে গেল। তখন সে হবির খাঁকে একদিন বললে, “বাবা, আমার ধর্ম নেই, আমি যাকে । छाळणार्बनि रनझे छाशावानहे आधाब्र थभ“। ट्य थभ* छिब्रनिन आभारक छौबट्नब्र नव