প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఏOO গল্পগুচ্ছ পাছে আমি দুঃখ করি দাদর জেগে উঠল সায়েন্সের বিদ্যে। নিমকিতে ননের বদলে যদি চিনি দিত তা হলে নিশ্চয় দাদ বলত, চিনিতে শরীরের এনাজি বাড়িয়ে দেয় – "দাদা, ও দাদ, তুমি ওখানে বসে বসে কী পড়ছ। আমি সে এ দিকে তোমার চরিত্রে অতিশয়োন্তি-অলংকার আরোপ করছি, আর নবীনবাব সমস্তই বেদবাক্য বলে বিশ্ববাস করে নিচ্ছেন।” কিছু দরে পোড়ো মন্দিরের সিড়ির উপরে বসে অধ্যাপক বিলিতি ত্রৈমাসিক পড়ছিলেন। অচিরার ডাক শনে সেখান থেকে উঠে আমাদের কাছে বসলেন। ছেলেমানষের মতো হঠাৎ আমাকে জিগগেসা করলেন, “আচ্ছা নবীন, তোমার কি বিবাহ হয়েছে।” কথাটা এতই সম্পেষ্টভাবব্যঞ্জক যে আর কেউ হলে বলত না, কিংবা ঘনরিয়ে বলত । আমি আশাপ্রদ ভাষায় উত্তর দিলাম, “না, এখনও হয় নি।" অচিরার কাছে কোনো কথা এড়ায় না। সে বললে, “ঐ এখনও শব্দটা সংশয়গ্রস্ত কন্যাকতীদের মনকে সান্ত্বনা দেবার জন্যে, ওর কোনো যথার্থ অথর্ণ নেই।” "একেবারেই নেই নিশ্চিত ঠাওরালেন কী করে।” “ওটা গণিতের প্রব্লেম, সেও হাইয়ার ম্যাথম্যাটিকস নয়। পবেই শোনা গেছে আপনি ছত্রিশ বছরের ছেলেমানষে। হিসেব করে দেখলাম এর মধ্যে আপনার মা অন্তত পাঁচ-সাত-বার বলেছেন, বাবা, ঘরে বউ আনতে চাই। আপনি জবাব করেছেন, তার প্বে ব্যাকে টাকা আনতে চাই। মা চোখের জল মাছে চুপ করে রইলেন, তার পরে মাঝখানে আপনার আর-সব ঘটেছিল— কেবল ফাঁসি ছিল বাকি । শেষকালে এখানকার রাজসরকারে মোটা মাইনের কাজ জটল। মা বললেন, “এইবার বউ নিয়ে এসো ঘরে। বড়ো কাজ পেয়েছ। আপনি বললেন, ‘বিয়ে করে সে কাজ মাটি করতে পারব না। আপনার ছত্রিশ বছরের গণিতফল গণনা করতে ভুল হয়েছে कि ना वळन ।” এ মেয়ের সঙ্গে অনবধানে কথা বলা নিরাপদ নয়। কিছুদিন আগেই আমার একটা পরীক্ষা হয়ে গেছে। কথায় কথায় অচিরা আমাকে বলেছিল, “আমাদের দেশের মেয়েরা আপনাদের সংসারের সঙ্গিনী হতে পারে কিন্তু বিলেতে যারা জ্ঞানের তাপস তাদের তপস্যার সঙ্গিনী তো জোটে যেমন ছিলেন অধ্যাপক কুরির সধমিণী धामाध कूब्रि। श्रान्नान्न कि ऊधन एकछे छाट नि ।” মনে পড়ে গেল ক্যাথারিনকে। সে একই কালে আমার বিজ্ঞানের এবং জীবনযাত্রার সাহচৰ্য করতে চেয়েছিল। অচিরা জিগগেসা করলে, “আপনি কেন তাঁকে বিয়ে করতে চাইলেন না।” কী উত্তর দেব ভাবছিলাম—অচিরা বললে, “আমি জানি কেন। আপনার সত্যভাগ হবে এই ভয় ছিল ; নিজেকে আপনার মন্ত রাখতেই হবে। আপনি যে সাধক। আপনি তাই নিষ্ঠর, নিষ্ঠর নিজের প্রতি, নিষ্ঠর তার পরে যে আপনার পথের সামনে আসে। এই নিষ্ঠুরতায় আপনার বীরত্ব দৃঢ়প্রতিঠিত।” কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার সে বললে, “বাংলা সাহিত্য বোধ হয় আপনি