প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছোটো গল্প SOరి কখনও বা পদশব্দ কল্পনা করছি, কখনও বা হতাশ হয়ে ভাবছি অসমাপ্ত রিপোটের কথা। সবিধে এই অধ্যাপক জিগগেসাই করেন না কোথাও আমার ঠেকছে কি না । তিনি ভাবেন সমস্তই জলের মতো সোজা। মাঝে মাঝে প্রতিবাদ উপলক্ষে প্রশন করেন, আপনারও কি এই মনে হয় না। আমি খুব জোরের সঙ্গে বলি, নিশ্চয় ? ইতিমধ্যে কিছদরে আমাদের অধসমাপ্ত কয়লার খনিতে মজরদের হল সাইক। ঘটালেন যিনি, এই তাঁর ব্যাবসা, স্বভাব এবং অভাব -বশত; সমস্ত কাজের মধ্যে এইটেই সব চেয়ে সহজ। কোনো কারণ ছিল না— কেননা আমি নিজে সোশালিস্ট, সেখানকার বিধিবিধান আমার নিজের হাতে বাঁধা, কারও সেখানে না ছিল লোকসান, না ছিল অসম্মান। নতন যন্ত্র এসেছে জমনি থেকে, তারই খাটাবার চেষ্টায় ব্যস্ত আছি। এমন সময় উত্তেজিতভাবে এসে উপস্থিত অচিরা। বললে, “আপনি মোটা মাইনে নিয়ে ধনিকের নায়েবি করছেন, এ দিকে গরিবের দারিদ্যের সুযোগটাকে নিয়ে আপনি— ” চনা করে উঠল মাথা। বাধা দিয়ে বললাম, “কাজ চালাবার দায়িত্ব এবং ক্ষমতা যাদের তারাই অন্যায়কারী আর জগতে যারা কোনো কাজই করে না, করতে পারেও না, দয়ামায়া কেবল তাদেরই— এই সহজ অহংকারের মত্ততায় সত্য-মিথ্যার প্রমাণ নিতেও মন চায় না।" অচিরা বললে, “সত্য নয় বলতে চান ?" আমি বললাম, “সত্য শব্দটা আপেক্ষিক। যা-কিছ যত ভালোই হোক, তার চেয়ে আরও ভালো হতেও পারে। এই দেখন-না আমার মোটা মাইনে বটে, তার থেকে মাকে পাঠাই পঞ্চাশ, নিজে রাখি ত্রিশ, আর বাকি—সে হিসেবটা থাক। কিন্তু মার জন্যে পনেরো নিজের জন্যে পাঁচ রাখলে আইডিয়ালের আরও কাছ ঘেষে যেত, কিন্তু একটা সীমা আছে তো।” অচিরা বললে, “সীমাটা কি নিজের ইচ্ছের উপরেই নির্ভর করে।” আমি বললাম, “না, অবস্থার উপরে। যে কথাটা উঠল সেটা একটা বিচার করে দেখন। য়রোপে ইণ্ডস্টিয়ালিজম গড়ে উঠেছে দীঘকাল ধরে। যাদের হাতে টাকা ছিল এবং টাকা করবার প্রতিভা ছিল তারাই এটা গড়েছে। গড়েছে নিছক টাকার লোভে—সেটা ভালো নয় তা মানি। কিন্তু ঐ ঘষেটুকু যদি না পেত তা হলে একেবারে গড়াই হত না। এতদিন পরে আজ ওখানে পড়েছে হিসেবনিকেশের তলব ।” অচিরা বললে, “আপনি বলতে চান পায়ে তেল শরতে, কানমলা তার পরে ?” “নিশ্চয়। আমাদের দেশে ভিত গাঁথা সবে আরম্ভ হয়েছে, এখনই যদি মার লাগাই তা হলে শরতেই হবে শেষ—সবিধে হবে বিদেশী বণিকদের। মানছি আজ আমি লোভাঁদের ঘষে দেওয়ার কাজ নিয়েছি, টাকাওয়ালার নায়েবি আমি করি। আজ সেলাম করছি বাদশার দরবারে এসে, কাল ওদের সিংহাসনের পায়ায় লাগাব কুড়ল। ইতিহাসে তো এই দেখা গেছে।” অচিরা বললে, “সব বাবলম। কিন্তু আমি দিনের পর দিন অপেক্ষা করে আছি । দেখতে, এই সাঁইক মেটাতে আপনি নিজে কবে যাবেন। নিশ্চয়ই আপনাকে ডাকও श्रटफ़ाइल । किन्छू टकन यान नि ।”