প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


HHo গল্পগুচ্ছ ছাড়িয়া বসিয়া থাকিলে অনেক কুফল ঘটিবার সম্পভাবনা। আমি আপনি মহেঞ্জের কাছে গেলাম, সকল কথা বঝোইয়া বলিলাম, মহেন্দু বিরক্ত হইল, আমি আস্তে আস্তে চলিয়া আসিলাম । একটা কিছর আমোদ নহিলে কি মানুষে বাঁচতে পারে। মহেন্দ্র যেরপ কৃতবিদ্য, লেখাপড়ায় সে তো অনেক আমোদ পাইতে পারে। কিন্তু পরীক্ষা দিয়া দিয়া বইগলার উপর মহেন্দ্রের এমন একটা অরচি জন্মিয়াছে যে, কলেজ হইতে টাটকা বাহির হইয়াই আর-একটা কিছল নতন আমোদ পাইলেই তাহার পক্ষে ভালো হইত। মহেন্দু এখন একট-আধটা করিয়া শেরী খায়। কিন্তু তাহাতে কী হানি হইল। কিন্তু হইল বৈকি। মহেন্দুও তাহা বুঝিত— এক-একবার বড়ো ভয় হইত, এক-একবার অনন্তাপ করিত, এক-একবার প্রতিজ্ঞা করিত, আবার এক-একদিন খাইয়াও ফেলিত এবং খাইবার পক্ষে নানাবিধ যুক্তিও ঠিক করিত। ক্ৰমে ক্লমে মহেন্দু অধোগতির গহবরে এক-এক সোপান করিয়া নাবিতে লাগিলেন। মদ্যটা মহেন্দ্রের এখন খাব অভ্যন্ত হইয়াছে। আমি কখনও জানিতাম না এমন-সকল সামান্য বিষয় হইতে এমন গরতের ব্যাপার ঘটিতে পারে। আমি বনেও ভাবি নাই যে সেই ভালো মানুষ মহেন্দু, স্কুলে যে ধীরে ধীরে কথা কহিত, মদ মদ হাসিত, অতি সন্তপণে চলাফিরা করিত, সে আজ মাতাল হইয়া অমন যা-তা বকিতে থাকিবে, সে অমন বদ্ধ পিতার মাখের উপর উত্তর-প্রত্যুত্তর করিবে। সবাপেক্ষা অসম্ভব মনে করিতাম যে, ছেলেবেলা আমার সঙ্গে মহেন্দ্রের এত ভাব ছিল, সে আজ আমাকে দেখিলেই বিরক্ত হইবে, আমাকে দেখিলেই ভয় করিবে যে বুঝি ঐ আবার লেকচার দিতে আসিয়াছে'। কিন্তু আমি আর তাহাকে কিছর বাবাইতে যাইতাম না। কাজ কী। কথা মানিবে না যখন, কেবল বিরক্ত হইবে মাত্র, তখন তাহাকে বাঝাইয়া আর কী করিব। কিন্তু তাহাও বলি, মহেন্দ্র হাজার মাতাল হউক তাহার অন্য কোনো দোষ ছিল না, আপনার ঘরে বসিয়াই মাতাল হইত, কখনও ঘরের বাহির হইত না। কিন্তু অলপ দিন হইল মহেন্দ্রের চাকর শম্ভু আসিয়া আমাকে কহিল যে, বাব বিকাল হইলে বাহির হইয়া যান আর অনেক রাত্রি হইলে বাড়ি ফিরিয়া আসেন। এই কথা শুনিয়া আমার বড়ো কষ্ট হইল, খোঁজ লইলাম, দেখিলাম দষ্যে কিছ: নয়—মহেন্দু তাহাদের বাগানের ঘাটে বসিয়া থাকে। কিন্তু তাহার কারণ কী। এখনও তো বিশেষ কিছর সন্ধান পাই নাই। সংস্কারক মহাশয় যে বিধবা মোহিনীর কথা বলিতেছিলেন, সে মহেন্দ্রের বাড়ির পাশেই থাকিত। মহেন্দ্রের বাড়িও আসিত, মহেন্দুও রোগ বিপদে সাহায্য করিতে তাহাদের বাড়ি যাইত। মোহিনীকে দেখিতে বেশ ভালো ছিল— কেমন উজৰল চক্ষ, কেমন প্রফুল্ল ওঠাধর, সমস্ত মাথের মধ্যে কেমন একটি মিন্ট ভাব ছিল, তাহা বলিবার নয়। যাহা হউক, মোহিনীকে স্বাধীনতার আলোকে আনিবার জন্য নানাবিধ ষড়যন্ত্র চলিতেছে। মোহিনীকে একাদশী করিতে হয়, মোহিনী মাছ খাইতে পায় না, মোহিনীর প্রতি সমাজের এই-সকল অন্যায় অত্যাচার দেখিয়া গদাধরবাব অত্যন্ত কাতর আছেন। বরপবাব মোহিনীর উদ্দেশে নানা সংবাদ পরে ও মাসিক পত্রিকায় नानाविथ czzधब्र कर्गवङा लिथिग्ना एफर्मजळजन, छाहाब्र म८था श्राभाद्रमब्र दार्जा नभाछाद