প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


‘ब्रबिबाब्र «ጫሆጫ বলিয়ে নিতে চায়, বিভা চুপ করে থাকে। ". জীবনের আরম্ভ থেকেই বিভা তার বাবারই মেয়ে সম্পর্ণেরুপে। এত ভালোবাসা, এত ভক্তি সে আর-কোনো মানুষকে দিতে পারে নি। তার বাপ সতীশও এই মেল্পেটির উপরে তাঁর অজস্র স্নেহ ঢেলে দিয়েছেন। তাই নিয়ে ওর মার মনে একট ঈশ্বর্ণ ছিল। বিভা হাঁস পুষেছিল, তিনি কেবলই খিটখিট করে বলেছিলেন, ওগুলো বন্ড বেশি ক্যাঁক ক্যাঁক করে’। বিভা আসমানি রঙের শাড়ি জ্যাকেট করিয়েছিল, মা বলেছিলেন "এ কাপড় বিভার রঙে একটনও মানায় না’। বিভা তার মামাতো বোনকে খুব ভালোবাসত, তার বিয়েতে যেতে চাইলেই মা বলে বসলেন সেখানে ম্যালেরিয়া’। মায়ের কাছ থেকে পদে পদে বাধা পেয়ে গ্রয়ে বাপের উপরে বিভার নির্ভর আরও গভীর এবং মজ্জাগত হয়ে গিয়েছিল । মার মৃত্যু হয় প্রথমেই। তার পরে ওর বাপের সেবা অনেক দিন পর্যন্ত ছিল বিভার জীবনের একমাত্র ব্রত। এই স্নেহশীল বাপের সমস্ত ইচ্ছাকে সে নিজের ইচ্ছা করে নিয়েছে। সতীশ তাঁর বিষয়সম্পত্তি দিয়ে গেছেন মেয়েকে। কিন্তু ট্রাস্টীর হাতে। নিয়মিত মাসহারা বরাদ্দ ছিল। মোট টাকাটা ছিল উপযন্ত পাত্রের উদ্দেশে বিভার বিবাহের অপেক্ষায় । বাপের আদশে এই উপযুক্ত পার কে তা বিভা জানত । অন্তত অনুপযুক্ত যে কে তাতে কোনো সন্দেহ ছিল না। একদিন অভীক এ কথা তুলেছিল; বলেছিল, “যাঁকে তুমি কষ্ট দিতে চাও না তিনি তো নেই, আর কষ্ট যাকে নিঠর ভাবে বাজে সেই লোকটাই আছে বোচে। হাওয়ায় তুমি ছরি মারতে ব্যথা পাও, আর দরদ নেই এই রক্তমাংসের বকের পরে।” শনে বিভা কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। আভীক বুঝেছিল ভগবানকে নিয়ে তক চলতে পারে, কিন্তু বাবাকে নিয়ে নয়। বেলা প্রায় দশটা। বিভার ভাইঝি সন্মি এসে বললে, “পিসিমা, বেলা হয়েছে।” বিভা তার হাতে চাবির গোছা ফেলে দিয়ে বললে, “তুই ভাঁড়ার বের করে দে। আমি এখনি যাচ্ছি।” یهR বেকারদের কাজের বাঁধা সীমা না থাকাতেই কাজ বেড়ে যায়। বিভার সংসারও সেই রকম। সংসারের দায়িত্ব আত্মীয়পক্ষে হালকা ছিল বলেই অনাত্মীয়পক্ষে হয়েছে বহুবিস্তৃত। এই ওর আপনগড়া সংসারের কাজ নিজের হাতে করাই ওর অভ্যাস চাকরবাকর পাছে কাউকে অবজ্ঞা করে। আভীক বললে, “অন্যায় হবে তোমার এখনই যাওয়া, কেবল আমার পরে নয়, সলিমর পরেও। ওকে স্বাধীন কতৃত্বের সময় দাও না কেন। ডোমিনিয়ন স্টাটস, অন্তত আজকের মতো। তা ছাড়া আমি তোমাকে নিয়ে একটা পরীক্ষা করতে চাই। কখনও তোমাকে কাজের কথা বলি নি, আজ বলে দেখব। নতুন অভিজ্ঞতা হবে।" বিভা বললে, “তাই হোক, বাকি থাকে কেন।” n পকেট থেকে অভীক চামড়ার কেস বের করে খালে দেখালে। একটা কবজিঘড়ি। ঘড়িটা প্লাটিনমের, সোনার মণিবন্ধ, হীরের টুকরোর ছিট দেওয়া। বললে, “তোমাকে বেচতে চাই ।” 出 “অবাক করেছ, বেচবে ?” }: