প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


avv গল্পগুচ্ছ “হা, বেচব, আশচষ হও কেন।” f f বিভা মহনতীকাল তথ থেকে বললে, “এই ঘড়ি যে মনীষা তোমাকে জন্মদিনে দিয়েছিল। মনে হচ্ছে তার বকের ব্যথা এখনও ওর মধ্যে ধকেধকে করছে। জন সে কত দুঃখ পেয়েছিল, কত নিন্দে সয়েছিল আর কত দুঃসাধ্য অপব্যয় করেছিল উপহারটাকে তোমার উপযুক্ত করবার জন্যে ?” অভৗক বললে, “এ ঘড়ি সেই তো দিয়েছিল, কে দিয়েছে শেষ পর্যন্ত জানতেই দেয় নি। কিন্তু আমি তো পৌত্তলিক নই যে বকের পকেটে এই জিনিসটার বেদি বাঁধিয়ে মনের মধ্যে দিনরাত শাঁখঘণ্টা বাজাতে থাকব।” “আশ্চৰ করেছ তুমি। এই কমাস হল সে টাইফয়েডে—” “এখন সে তো সখেদঃখের অতীত।” “শেষ মহত পৰ্যন্ত সে এই বিশ্বাস নিয়ে মরেছিল যে তুমি তাকে ভালোবাসতে।” “ভুল বিশ্বাস করে নি।” "ץ זaסס" “তবে আবার কী। সে নেই, কিন্তু তার ভালোবাসার দান আজও যদি আমাকে ফল দেয় তার চেয়ে আর কী হতে পারে।” বিভার মুখে অত্যন্ত একটা পীড়ার লক্ষণ দেখা দিল। একট ক্ষণ চুপ করে থেকে বললে, “এত দেশ থাকতে আমার কাছে বেচতে এলে কেন।” “কেননা জানি তুমি দর-কষাকষি করবে না।” “তার মানে কলকাতার বাজারে আমিই কেবল ঠকবার জন্যে তৈরি হয়ে আছি ?” “তার মানে ভালোবাসা খুশি হয়ে স্থাকে।” এমন মানুষের পরে রাগ করা শক্ত। জোরের সঙ্গে বকে ফলিয়ে ছেলেমানষি । কিছতে যে লজার কারণ আছে তা যেন ও জানেই না। এই ওর অকৃত্রিম অবিবেক, এই-বে উচিত-অন-চিতের বেড়া অনায়াসে লাফ দিয়ে ডিঙিয়ে চলা, এতেই মেয়েদের স্নেহ ওকে এত করে টানে। ভৎসনা করবার জোর পায় না। কতব্যবোধকে যারা অত্যন্ত সামলে চলে মেয়েরা তাদের পায়ের ধলো নেয়। আর যে-সব দাদাম দরক্তের কোনো বালাই নেই ন্যায়-অন্যায়ের, মেয়েরা তাদের বাহনবন্ধনে বাঁধে। ডেকের ব্লটিও কাগজটার উপর খানিক ক্ষণ নীল পেনসিলের দাগ-কাটাকাটি করে শেষকালে বিভা বললে, “আচ্ছা, যদি আমার হাতে টাকা থাকে তবে আমনি তোমাকে দেব। কিন্তু তোমার ওই ঘড়ি আমি কিছুতেই কিনব না।” উত্তেজিত কণ্ঠে অভৗক বললে, "ভিক্ষা! তোমার সমান ধনী যদি হতুম, তা হলে তোমার দান নিতুম উপহার বলে, দিতুম প্রত্যুপহার সমান দামের। আচ্ছা, পরবের कठ“वा खाभिहे दब्रg कब्राह । uई नाe dई घफ़ि, uक नग्ननाe cनव ना ।” বিভা বললে, “মেয়েদের তো নেবারই সম্বন্ধ। তাতে কোনো লজা নেই। তাই वरल ७ घफ़ि नग्न । श्रावश भनि, प्कन ट्रभि eछैो बिाङ कब्रइ ।” “তৰে শোনো, তুমি তো জান আমার অত্যন্ত বেহায়া একটা ফোর্ড গাড়ি আছে। সেটার চালচলনের ঢিলেমি অসহ্য। কেবল আমি বলেই ওর দশম দশা ঠেকিয়ে রেখেছি। আটশো টাকা দিলেই ওর বদলে ওর বাপদাদার বয়সী একটা পরোনো