প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্ণা 為8○ নিরপরাধিনী যে কাট পাইবে, তাহার প্রায়শ্চিত্ত কিসে হইবে। এ কথা ভাবিলে অনেক कण छाया थाइँङ, कन्छू भएश्८न्छन्न छावाङ इँझ झद्देब्न मा–छाीदठन ना । মহেন্দ্র তাহার নিজ দোষের স্বত-কিছ, অপবাদ-যন্ত্রণা সমুদয় অভাগিনী রজনীকে সহিতে দিয়া গহ হইতে বহিগত হইল। বায় সতভিত, গ্রামপথ অধিার করিয়া দুই ধারে বক্ষশ্রেণী প্ৰস্তৰখ-গম্ভীর-বিষমভাবে দাঁড়াইয়া আছে। সেই অধিার পথ দিয়া ঝটিকাময়ী নিশাঁখিনীতে বায়তাড়িত ক্ষুদ্র একখানি মেঘখণ্ডের ন্যায় মহেন্দু যে দিকে ইচ্ছা চলিতে লাগিলেন । রজনী ভাবিল যে, সে কাছে আসাতেই বুঝি মহেন্দ্র অন্যত্র চলিয়া গেল। বাতায়নে বসিয়া জ্যোৎস্নাসপেত পঙ্কেরিণীর জলের পানে চাহিয়া চাহিয়া কাঁদিতে লাগিল । সপ্তম পরিচ্ছেদ কর্ণা ভাবে এ কী দায় হইল, নরেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসে না কেন । অধীর হইয়া বাড়ির পরোতন চাকরানি ভবির কাছে গিয়া জিজ্ঞাসা করিল, নরেন্দ্র কেন আসিতেছেন না । সে হাসিয়া কহিল, সে তাহার কী জানে । কর্ণা কহিল "না, তুই জানিস ।" ভবি কহিল, "ওমা, আমি কী করিয়া বলিব।" কর্ণা কোনো কথায় কৰ্ণপাত করিল না । ভবির বলিতেই হইবে নরেন্দ্র কেন আসিতেছে না। কিন্তু অনেক পীড়াপীড়িতেও ভবির কাছে বিশেষ কোনো উত্তর পাইল না। কর্ণা অতিশয় বিরক্ত হইয়া কাঁদিয়া ফেলিল ও প্রতিজ্ঞা করিল যে, যদি মঙ্গলবারের মধ্যে নরেন্দ্র না আসেন তবে তাহার যতগুলি পর্তুল আছে সব জলে ফেলিয়া দিবে। ভবি বুঝাইয়া দিল যে, পতুল ভাঙিয়া ফেলিলেই যে নরেন্দ্রের আসিবার বিশেষ কোনো সুবিধা হইবে তাহা নহে, কিন্তু তাহার কথা শুনে কে। না আসিলে ভাঙিয়া ফেলিবেই ফেলিবে । বাস্তবিক নরেন্দ্র অনেক দিন দেশে আসে নাই। কিন্তু পাড়ার লোকেরা বচিয়াছে, কারণ আজকাল নরেন্দ্র যখনই দেশে আসে তখনই গোটা দুই-তিন কুকুর এবং তদপেক্ষা বিরক্তিজনক গোটা দই-চার সঙ্গী তাহার সঙ্গে থাকে। তাহারা দইতিন দিনের মধ্যে পাড়াসন্ধে বিৱত করিয়া তুলে। আমাদের পণ্ডিতমহাশয় এই কুকুরগুলা দেখিলে বড়োই ব্যতিব্যস্ত হইয়া পড়িতেন। যাহা হউক, পণ্ডিতমহাশয়ের বিবাহের কথাটা লইয়া পাড়ায় বড়ো হাসিতামাসা চলিতেছে। কিন্তু ভট্টাচাৰ্য মহাশয় বিশ বাইশ ছিলিম তামাকের ধয়ায়, গোটাকতক নস্যের টিপে এবং নবগহিণীর অভিমানকুঞ্চিত ভ্ৰমেঘনিক্ষিণত দই-একটি বিদাতালোকের আঘাতে সকল কথা তুড়ি দিয়া উড়াইয়া দেন। নিধিরাম ব্যতীত পণ্ডিতমহাশয়কে বাটী হইতে কেহ বাহির করিতে পারিত না। পণ্ডিতমহাশয় আজকাল । একখানি দপণ ক্ৰয় করিয়াছেন, চশমাটি সোনা দিয়া বাঁধাইয়াছেন, দরদেশ হইতে সক্ষমশত্র উপবীত আনয়ন করিয়াছেন। তাঁহার পত্নী কাতায়নী পাড়ার মেয়েদের কাছে গল্প করিয়াছে যে, মিনসা নাকি আজকাল মদ হাসি হাসিয়া উদরে হাত 的S