প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$88 গল্পগছে বলাইতে বলাইতে রসিকতা করিতে প্রাণপণে চেষ্টা করেন। কিন্তু পণ্ডিতমহাশয়ের নামে পাবে কখনও এরপ কথা উঠে নাই। আমরা পণ্ডিতমহাশয়ের রসিকতার ৰে দুই-একটা নিদশন পাইয়াছি তাহার মমাথ বঝো আমাদের সাধ্য নহে। তাছার মধ্যে প্রকৃতি, পরষ, মহৎ, অহংকার, প্রমা, অবিদ্যা, রাজতে সপভ্রম, পবতোৰহিমান ধমাং ইত্যাদি নানাবিধ দাশনিক হাঙ্গামা আছে। পণ্ডিতমহাশয়ের বেদান্তসত্র ও সাংখ্যের উপর মাকড়সায় জাল বিস্তার করিয়াছে, আজকাল জয়দেবের গীতগোবিন্দ লইয়া পণ্ডিতমহাশয় ভাবে ভরপরে হইয়া আছেন। এই তো গেল পণ্ডিতমহাশয়ের অবস্থা । আর আমাদের কাত্যায়নী ঠাকুরানীটি দিন কতক আসিয়াই পাড়ার মেয়েমহল একেবারে সরগরম করিয়া তুলিয়াছেন। তাঁহার মতো গল্পগজেব করিতে পাড়ায় আর কাহারও সামথ্য নাই। হাত-পা নাড়িয়া চোখ-মাখ ঘরাইয়া চতুদশ ভুবনের সংবাদ দিতেন। একজন তাঁহার নিকট কলিকাতা শহরটা কণী প্রকার তাহারই সংবাদ লইতে গিয়াছিলেন। তিনি তাহাকে বুঝাইয়া দেন যে, সেখানে বড়ো বড়ো মাঠ, সায়েবরা চাষ করে, রাস্তার দ ধার সিপাহি শান্তিরি গোরার পাহারা, ঘরে ঘরে গোর কাটে ইত্যাদি । আরও অনেক সংবাদ দিয়াছিলেন, সকল কথা আবার মনেও নাই। কাত্যায়নীর পতিভক্তি অতিরিক্ত ছিল এবং এই পতিভক্তি-সংক্রান্ত নিন্দার কথা তাঁহার কাছে যত শুনিতে পাইব এমন আর কাহারও কাছে নয়। পাড়ার সকল মেয়ের নাড়ীনক্ষত্র পষত অবগত ছিলেন। তাঁহার আর-একটি স্বভাব ছিল যে, তিনি ঘণ্টায় ঘণ্টায় সকলকে মনে করাইয়া দিতেন যে, মিছামিছি পরের চর্চা তাঁর কোনোমতে । ভালো লাগে না আর বিন্দ, হারার মা ও বোসেদের বাড়ির বড়োবউ যেমন বিশ্ব- ' নিন্দকে এমন আর কেহ নয়। কিন্তু তাহাও বলি, কাত্যায়নী ঠাকুরানীকে দেখিতে মন্দ ছিল না—তবে চলিবার, বলিবার, চাহিবার ভাবগলি কেমন এক প্রকারের। তা হউক গে, আমন এক-একজনের স্বাভাবিক হইয়া থাকে। অস্টম পরিচ্ছেদ নরেন্দ্রের অনেকগুলি দোষ জটিয়াছে সত্য, কিন্তু করলোকে সে-সকল কথা কে বলে বলো দেখি। সে বেচারি কেমন বিশ্ববঙ্গতচিত্তে স্বপন দেখিতেছে, তাহার সে সবগম ভাঙাইবার প্রয়োজন কী। কিন্তু সে অত শত বঝেও না, অত কথায় কানও দেয় না। কিন্তু রাত দিন শুনিতে শুনিতে দই-একটা কথা মনে লাগিয়া যায় বৈকি। কর্ণার অমন প্রফুল্ল মাখ, সেও দই-একবার মলিন হইয়া যায়-নয় তো কী! কিন্তু নরেন্দুকে পাইলেই সে সকল কথা ভুলিয়া যায়, জিজ্ঞাসা করিতে মনেই থাকে না, অবসরই পায় না। তাহার অন্যান্য এত কথা কহিবার আছে যে, তাহাই ফরাইয়া উঠিতে *ाटब्र ना, रङा, ठामा कथा ! किग्डू कग्नदशाब्र ¢ छाब आब्र अश्विक मिन थाकिट्व ना छाश বলিয়া রাখিতেছি। নরেন্দ্র যেরপে অন্যায় আরম্ভ করিয়াছে তাহা আর বলিবার নহে। নরেন্দ্র এখন আর কলিকাতায় বড়ো একটা যাতায়াত করে না। কর্ণাকে ভালোবাসিয়া যে যায় না, সে প্রম যেন কাহারও না হয়। কলিকাতায় সে যথেষ্ট ঋণ করিয়াছে, পাওনাদারদের ভরে সে কলিকাতা ছাড়িয়া পলাইয়াছে। . *