প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করপো । эвв দিনে দিনে কর্ণার মখ মলিন হইয়া আসিতেছে। নরেন্দ্র যখন কলিকাতার थाकिछ इिल छारणा । कच्षिण घन्छे द5ाcथव्र नाभट्न थाकिरल काशाकट्टे वा मा छिना যায় ? নয়েদের স্বভাব কর্ণার নিকট ক্ৰমে ক্ৰমে প্রকাশ পাইতে লাগিল। কয়লার কিছুই তাহার ভালো লাগিত না। সবাদাই খিটখিট, সর্বদাই বিরক্ত। এক মহতও ভালো মুখে কথা কহিতে জানে না— অধীরা কর্ণা যখন হবে উৎফুল্ল হইয়া তাহার নিকট আসে, তখন সে সহসা এমন বিরক্ত হইয়া উঠে যে কর্ণার মন একেবারে দমিয়া যায়। নরেন্দ্র সব দাই এমন রটে থাকে যে কর্ণা তাহাকে সকল কথা বলিতে সাহস করে না, সকল সময় তাহার কাছে বাইতে ভয় করে, পাছে সে বিরক্ত হইয়া তিরস্কার করিয়া উঠে। তদভিন্ন সন্ধ্যাবেলা তাহার নিকট কাহারও ঘোষিবার জো ছিল না, সে মাতাল হইয়া যাহা ইচ্ছা তাই করিত। স্নাহা হউক, কর্ণার মুখ দিনে দিনে भलिन श्ब्रा श्रानिळऊ लाशिल । अलौक कठंनना वा नाभाना अछिधान वाडौठ श्रमा কোনো কারণে কর্ণার চক্ষে প্রায় জল দেখি নাই— এইবার ঐ অভাগিনী আন্তরিক মনের কন্টে কাঁদিল। ছেলেবেলা হইতেই সে কখনও অনাদর উপেক্ষা সহ্য করে নাই, আজ আদর করিয়া তাহার অভিমানের আশ্রম মছাইবার আর কেহই নাই। অভিমানের প্রতিদানে তাহাকে এখন বিরক্তি সহ্য করিতে হয়। যাহা হউক, কর্ণা আর বড়ো একটা খেলা করে না, বেড়ায় না, সেই পাখিটি লইয়া অন্তঃপরের বাগানে বসিয়া থাকে। নরেন্দ্র মাঝে মাঝে কলিকাতায় গেলে দেখিয়াছি এক-একদিন কর্ণা সমস্ত জ্যোৎস্নারাত্রি বাগানের সেই বাঁধা ঘাটটির উপরে শ্যইয়া আছে, কত কী ভাবিতেছে জানি না— কুমে তাহার নিদ্রাহীন নেরের সম্মখে দিয়া সমস্ত রান্ত্রি প্রভাত হইয়া গিয়াছে। নবম পরিচ্ছেদ নরেন্দ্র যেমন অর্থ ব্যয় করিতে লাগিল, তেমনি ঋণও সঞ্চয় করিতে লাগিল। সে নিজে এক পয়সাও সঞ্চয় করিতে পারে নাই, টাকার উপর তাহার তেমন মায়াও জন্মে নাই, তবে এক— পরিবারের মুখ চাহিয়া লোকে অর্থ সঞ্চয়ের চেষ্টা করে, তা নরেন্দ্রের সে-সকল খেয়ালই আসে নাই। একট-আধটা করিয়া যথেষ্ট ঋণ সঞ্চিত হইল। অবশেষে এমন হইয়া দাঁড়াইয়াছে যে, ঘর হইতে দুটা-একটা জিনিস বন্ধক রাখিবার প্রয়োজন হইল । কর্ণার শরীর অসন্থে হইয়াছে। অনর্থক কতকগলো অনিয়ম করিয়া তাহার পীড়া উপস্থিত হইয়াছে। নরেন্দ্র কহিল সে দিবারায় এক পীড়া লইয়া লাগিয়া থাকিতে পারে না ; তাই বিরক্ত হইয়া কলিকাতায় চলিয়া গেল। এ দিকে কর্ণার তত্ত্বাবধান করে কে তাহার ঠিক নাই ; পণ্ডিতমহাশয় যথাসাধ্য করতে লাগিলেন, কিন্তু তাহাতেই বা কী হইবে। কর্ণা কোনো প্রকার ঔষধ খাইতে চায় না, কোনো নিয়ম পালন করে না। কর্ণায় পীড়া বিলক্ষণ বাড়িয়া উঠিল পণ্ডিতমহাশয় মহা বিব্রত হইয়া নরেন্দ্রকে আসিবার জন্য এক চিঠি লিখিলোঁ। নরেন্দ্র আসিল, কিন্তু কর্ণার পীড়াবন্ধির সংবাদ পাইয়া নয়, কলিকাতায় ীিয়া তাহার এত খণবন্ধি হইয়াছে যে চারি দিক হইতে পাওনাদারেরা তাহার নামে নালিশ আরম্ভ করিয়াছে,