প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৯৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ぬぐりも গলপগুচ্ছ আমি রাপের কাঙাল। রজনী দেখিতে ভালো নয় বলিয়াই আমি তাহার উপর নিষ্ঠরাচরণ করিয়াছি ? লোকের কাছে মুখ দেখাইব কোন লজায়।’ কিন্তু রজনীর আজকাল অলপ তিরস্কারই অত্যন্ত মনে লাগে, আগেকার অপেক্ষাও সে কেমন ভীত হইয়া পড়িয়াছে। তাহার শরীর যতই খারাপ হইতেছে ততই সে ভয়ে প্রস্ত ও তিরস্কারে অধিকতর ব্যথিত হইয়া পড়িতেছে, ক্ৰমাগত তিরস্কার শনিয়া শুনিয়া আপনাকে সত্য-সতাই দোষী বলিয়া দঢ় বিশ্বাস হইয়াছে। মোহিনী প্রত্যহ সন্ধ্যাবেলা তাহার কাছে আসিত— প্রত্যহ তাহাকে যথাসাধ্য যত্ন করিত ও প্রত্যহ দেখিত সে দিনে দিনে অধিকতর দ্রবল হইয়া পড়িতেছে। একদিন রজনী সংবাদ পাইল মহেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসিতেছে। আহাদে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহার কিসের আহমাদ ! মহেন্দ্র তো তাহাকে সেই ঘণাচক্ষে দেখিবে। তাহা হউক, কিন্তু তাহার জন্য মহেন্দু যে গহ পরিত্যাগ করিয়া বিদেশে কট পাইতেছে এ আত্মপ্লানির যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাইল-- যে কারণেই হউক, মহেন্দু যে বিদেশে গিয়া কষ্ট পাইতেছে ইহা রজনীর অতিশয় কষ্টকর হইয়াছিল। বাবিংশ পরিচ্ছেদ কাশীর স্টেশনে করুণা-সংক্রান্ত যে-সমস্ত ঘটনা ঘটিতেছিল, একজন ভদ্রলোক তাহা সমস্ত পর্যবেক্ষণ করিতেছিলেন। বরপকে দেখিয়া তিনি কেমন লজিত ও সংকুচিত হইয়া সরিয়া গিয়াছিলেন। যখন দেখিলেন সকলে চলিয়া গেল এবং কর্ণা মছিত হইয়া পড়িল তখন তিনি তাহাকে একটা গাড়িতে তুলিয়া তাঁহার বাসাবাড়িতে লইয়া যান—তাঁহার কোথায় যাইবার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু যাওয়া হইল না। কর্ণার মুখ দেখিয়া, এমন কে আছে যে তাহাকে দোষী বলিয়া সন্দেহ করিতে পারে ? মহেন্দ্রও তাহাকে সন্দেহ করে নাই। বলিতে ভুলিয়া গিয়াছিলাম— সেই ভদ্রলোকটি মহেন্দু। লাহোর হইতে আসিবার সময় একবার কাশীতে আসিয়াছিলেন। কলিকাতার ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করিতেছিলেন, এমন সময়ে এই-সমস্ত ঘটনা ঘটে। কর্ণা চেতনা পাইলে মহেন্দ্র তাহাকে তাঁহার সমস্ত বক্তাত জিজ্ঞাসা করিলেন। মহেন্দ্রের মখে এমন দয়ার ভাব প্রকাশ পাইতেছিল যে, কর্ণা শীঘ্রই সাহস পাইল। কাঁদিতে কাঁদিতে তাহার সমস্ত বাত্তান্ত তাঁহাকে কহিল এবং ঠিক সে যেমন করিয়া ভবিকে জিজ্ঞাসা করিত তেমন করিয়া মহেন্দুকে জিজ্ঞাসা করিল, কেন নরেন্দ্র তাহার উপর অমন রাগ করিল। মহেন্দ্র বালিকার সে প্রশেনর উত্তর দিতে পারিল না— কিন্তু এই প্রশন শুনিয়া তাহার চক্ষে জল আসিয়াছিল। নরেন্দ্রকে মহেন্দ্র বেশ চেনে, সে সমস্ত ঘটনা বেশ বুঝিতে পারিল। পণ্ডিতমহাশয় যে কেন তাহাকে অমন করিয়া ফেলিয়া গেলেন তাহাও কর্ণা ভাবিয়া পাইতেছিল না, অনেক ক্ষণ ভাবিয়া ভাবিয়া তাহাও মহেন্দুকে জিজ্ঞাসা করিল। মহেন্দ্র তাহার যথার্থ কারণ যাহা বুঝিয়াছিলেন তাহা গোপন করিয়া নানারপে বকোইয়া দিলেন। এখন করশোকে লইয়া যে কী করিবে মহেন্দু তাহাই ভাবিতে লাগিল। অবশেষে न्थिब्र एट्टेल ठाशरमव्र बाफ़िर७ई लट्टेग्ना व&८व । धरएन्छ कब्रह्णाब्र निकल्ले ठाशव्र बाप्लिग्न