প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ᎼᎸ8 গল্পগুচ্ছ মহেন্দু যেরপে ভালো মানুষ, অধিক গোলযোগ করা তাঁহার কম নয়। বকবিকি করিতে আরম্ভ করিলে তাহার আর অন্ত হইবে না জানিয়া মহেন্দু প্রস্তাব করিলেন– নরেন্দ্র যদি তাঁহার কু-অভ্যাসগুলি পরিত্যাগ করেন তবে তিনি তাঁহার সাহায্য করিবেন । নরেন্দ্র আকাশ হইতে পড়িল ; কহিল, “কু-অভ্যাস কী মশায়! নন্তন কু-অভ্যাস তো আমার কিছই হয় নাই, আমার যা অভ্যাস আছে সে তো আপনি সমস্ত জানেন ।” এই কথায় ভালোমানুষ মহেন্দ্র কিছল অপ্রস্তুত হইয়া পড়িল, সে তেমন ভালো উত্তর দিতে পারিল না। নরেন্দ্র প্বে এত কথা কহিতে জানিত না, বিশেষ মহেন্দ্রের কাছে কেমন একটা সংকোচ অনুভব করিত— সম্প্রতি দেখিতেছি সে ভারি কথা কাটাকাটি করিতে শিখিয়াছে। তাহার স্বভাব আশচয বদল হইয়া গিয়াছে। মহেন্দ্র শীঘ্র শীঘ্ৰ তাহার সহিত মীমাংসা করিয়া লইয়া তাহাকে টাকা দিলেন ও কহিলেন, ভবিষ্যতে নরেন্দ্ৰ যেন তাঁহার সত্রীকে অন্যায় ভয় দেখাইয়া চিঠি না লেখেন। মহেন্দু সেই আদ্র বাৎপময় ঘর হইতে বাহির হইয়া বাঁচিলেন ও পথের মধ্যে একটা ডাক্তারখানা হইতে একশিশি কুইনাইন কিনিয়া লইয়া যাইবেন বলিয়া নিশ্চয় করিলেন। বারের নিকট দাসীটি বসিয়াছিল, সে মহেন্দুকে দেখিয়া অতি মধরে দুই-তিনটি হাস্য ও কটাক্ষ বষণ করিল ও মনে-মনে ঠিক দিয়া রাখিল— সেই কটাক্ষের প্রভাবে, মলয়সমীরণে, চন্দ্রীকরণে মহেন্দু বাসায় গিয়া মরিয়া থাকিবে । ക * পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ আজকাল রজনী ভারি গিন্নি হইয়াছে। এখন তাহার হাতে টাকাকড়ি আসে। পাড়ার অধিকাংশ বন্ধা ও প্রৌঢ়া গহিণীরা রজনীর শাশুড়ির সঙ্গ পরিত্যাগ করিয়া শিঙ ভাঙিয়া রজনীর দলে মিশিয়াছেন। তাঁহারা ঘণ্টাখানেক ধরিয়া রজনীর কাছে দেশের লোকের নিন্দা করিয়া, উঠিয়া যাইবার সময় হাই তুলিতে তুলিতে পনশ্চ নিবেদনের মধ্যে আবশ্যকমত টাকাটা-সিকিটা ধার করিয়া লইতেন এবং রজনীর স্বামীর, রজনীর উচ্চ বংশের ও চোখের জল মাছিতে মুছিতে রজনীর মত লক্ষীস্বভাবা মাতার প্রশংসা করিয়া শীঘ্র সে ধারগুলি শুধিতে না হয় এমন বন্দোবস্ত করিয়া যাইতেন। কিন্তু এই পিসি-মাসি শ্রেণীর মধ্যে কর্ণার দানাম আর ঘুচিল না। ঘুচিবে কিরাপে বলো। মাসি যখন সন্তোষজনকরপে ভূমিকাটি শেষ করিয়া রজনীর কাছে কাজের কথা পাড়িবার উপক্ৰম করিতেছেন, এমন সময়ে হয়তো কর্ণা কোথা হইতে তাড়াতাড়ি আসিয়া রজনীকে টানিয়া লইয়া বাগানে চলিল। মাঝে মাঝে তাঁহারা কর্ণার ব্যবহার দেখিয়া তাহাকে জিজ্ঞাসা করিতেন, “তুমি কেমন-ধারা গা ?’ সে যে কেমন-ধারা কর্ণা তাহার কোনো হিসাব দিতে চেষ্টা করিত না। কোনো পিসির বিশেষ কথা, বিশেষ অঙ্গভঙ্গি বা বিশেষ মুখশ্ৰী দেখিলে এক-এক সময় তাহার এমন হাসি পাইত যে, সে সামলাইয়া উঠা দায় হইত, সে রজনীর গলা ধরিয়া মহা शनिग्न कळल्लाल छूजिउ-ब्रछनौ-नदन्थ विद्वष्ठ इईब्रा ऍठेिठ । ठाश शफ़ा ब्रछनौब्र গিৰিপনা দেখিয়া সে এক-এক সময়ে হাসিয়া আর বাঁচিত না।