প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মুকুট à bą ইন্দ্রকুমার তাঁর নিক্ষেপ করিলেন, লক্ষ্য বিন্ধ হইল। বাজনা বাজিল। চারি দিকে জয়ধনি উঠিল। যবেরাজ যখন ইন্দ্রকুমারকে আলিঙ্গন করিলেন, আনন্দে ইন্দুকুমারের চক্ষু ছল ছল করিয়া আসিল ; ইশা খাঁ পরম স্নেহে কহিলেন, “পত্র, আল্লার কৃপায় তুমি দীর্ঘজীবী হইয়া থাকো।” মহারাজা যখন ইন্দ্রকুমারকে পরস্কার দিবার উদ্যোগ করিতেছেন এমন সময়ে রাজধর গিয়া কহিলেন, “মহারাজ, আপনাদের ভ্রম হইয়াছে । আমার তাঁর লক্ষ্যভেদ করিয়াছে।” মহারাজ কহিলেন, “কখনোই না।” রাজধর কহিলেন, “মহারাজ, কাছে গিয়া পরীক্ষা করিয়া দেখন।” সকলে লক্ষ্যের কাছে গেলেন। দেখিলেন, যে তাঁর মাটিতে বিন্ধ তাহার ফলায় ইন্দ্রকুমারের নাম খোদিত, আর যে তাঁর লক্ষ্যে বিদ্ধ তাহাতে রাজধরের নাম ক্ষোদিত। রাজধর কহিলেন, “বিচার করন মহারাজ !” ইশা খাঁ কহিলেন, “নিশ্চয়ই তণ বদল হইয়াছে।” কিন্তু পরীক্ষা করিয়া দেখা গেল, তৃণ বদল হয় নাই। সকলে পরপরের মুখচাওয়াচাওয়ি করিতে লাগিলেন। ইশা খাঁ কহিলেন, “পনবার পরীক্ষা করা হউক।” রাজধর বিষম অভিমান করিয়া কহিলেন, “তাহাতে আমি সন্মত হইতে পারি না। আমার প্রতি এ বড়ো অন্যায় অবিশ্বাস। আমি তো পরস্কার চাই না, মধ্যমকুমার-বাহাদরকে পরস্কার দেওয়া হউক।” বলিয়া পরস্কারের তলোয়ার ইন্দ্রকুমারের দিকে অগ্রসর করিয়া দিলেন। ইন্দ্রকুমার দারণ ঘণার সহিত বলিয়া উঠিলেন, “ধিক ! তোমার হাত হইতে এ পরস্কার গ্রাহ্য করে কে। এ তুমি লও।” বলিয়া তলোয়ারখানা ঝন ঝন করিয়া রাজধরের পায়ের কাছে ফেলিয়া দিলেন। রাজধর হাসিয়া নমস্কার করিয়া তাহা তুলিয়া লইলেন। তখন ইন্দ্রকুমার কম্পিত্যুবরে পিতাকে কহিলেন, “মহারাজ, আরাকানপতির সহিত শীঘ্রই যন্ধে হইবে। সেই যুদ্ধে গিয়া আমি পরস্কার আনিব। মহারাজ, আদেশ করন।” ইশা খাঁ ইন্দ্রকুমারের হাত ধরিয়া কঠোরস্বরে কহিলেন, “তুমি আজ মহারাজের অপমান করিয়াছ। উহার তলোয়ার লইয়া ছড়িয়া ফেলিয়াছ। ইহার সমচিত শাসিত আবশ্যক।” বদ্ধ ইশা খাঁ সহসা বিষম হইয়া ক্ষদ্ধ স্বরে কহিলেন, “পত্র, একি পত্র। আমার পরে এই ব্যবহার! তুমি আজ আত্মবিস্মত হইয়াছ বৎস!” ইন্দ্রকুমারের চোখে জল উথলিয়া উঠিল। তিনি কহিলেন, “সেনাপতিসাহেব, आधारक भान करब्रा, आधि चाछ बथाथहैि आफर्षाबन्धळ झहैझाहि ।” * I: যবেরাজ নেহের স্বরে কহিলেন, “শান্ত হও, ভাই—গছে ফিরিয়া চলো।” ईन्छकूभाग्न निऊाब्र नमथलि जहैब्रा कश्रिजन, “निष्ठा । अनब्राथ भाजना काएन ।” ना !