প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ब्रक्विाङ्ग the বিভা অভাঁকের হাতের উপরে নিপথভাবে হাত বলোতে বলোতে বললে, “या गाब्रि न उठाग्न मद्भष ब्रहेण छाधाब्र भन्न छिब्रमिन । बटणैदङ्ग गाब्रि ठाञ्च नक्ष থেকে কেন আমাকে বঞ্চিত করবে।” o “मा ना ना, किष्टङझे ना ।। ८ठाबाब्रट्टे काइ थरक नाशवा निद्रब्र लौणाटक গাড়ি চড়িয়ে বেড়াব ? এ প্রস্তাবে ধিক্কার দেবে এই ভেবেছিলাম, রাগ করবে এই झिल आथा ।” , "রাগ করব কেন। তোমার দন্টেমি কত ক্ষণের। এটা সাংঘাতিক শীলার পক্ষে, তোমার পক্ষে একটুও না। এমন ছেলেমানষি কতবার তোমার দেখেছি, মনে মনে হেসেছি। জানি কিছুদিনের মতো এ খেলা না হলে তোমার চলে না। এও জানি পথায়ী হলে আরও অচল হয়। হয়তো তুমি কিছু পেতে চাও, কিন্তু তোমাকে কিছর পাবে এ সইতে পার না।” * “বাঁ, আমাকে তুমি অত্যন্ত বেশি জান, তাই এমন ঘোরতর নিশ্চিত থাক । জানতে পেরেছ আমার ভালো লাগে মেয়েদের কিন্তু সে ভালো লাগা নাস্তিকেরই, তাতে বাঁধন নেই। পাথরে-গাঁথা মন্দিরে সে পাজাকে বন্দী করব না। বান্ধবীদের সঙ্গে গলাগলির গদগদ দশ্য মাঝে মাঝে দেখেছি, সেই বিহল ম্প্রৈণতায় আমার গা কেমন করে। কিন্তু মেয়েরা আমার কাছে নাস্তিকের দেবতা, অর্থাৎ আর্টিস্টের। আর্টিস্ট খাবি খেয়ে মরে না, সে সাঁতার দেয়, দিয়ে অনায়াসে পার হয়ে যায়। আমি লোভী নই, আমাকে নিয়ে যে মেয়ে ঈষা করে সে লোভী। তুমি লোভী নও, তোমার নিরাসক্ত মনের সর চেয়ে বড়ো দান স্বাধীনতা ।” বিভা হেসে বললে, “তোমার স্তব এখন রাখো। আর্টিস্ট, তোমরা সাবালক শিশ, এবার যে খেলাটা ফেদেছ তার খেলনাটি নাহয় আমার হাত থেকেই নেবে।” “নৈব নৈব চ। আচ্ছা একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। তোমার ট্রাস্টীদের মঠো থেকে এ টাকা খসিয়ে নিলে কী করে ?” “খোলসা করে বললে হয়তো খুশি হবে না। তুমি জান অমরবাবরে কাছে आधि प्राथाश्राफ्रेिंकन णिर्थाछ ।” “সব-তাতেই আমাকে বহন দরে এড়িয়ে যেতে চাও, বিদ্যেতেও ?” “বোকো না, শোনো । আমার ট্রাসীদের মধ্যে একজন আছেন আদিত্য মামা । নিজে তিনি গণিতে ফস্টারাস মেডালিস্ট। তাঁর বিশ্বাস—যথেষ্ট সযোগ পেলে অমরবাব দ্বিতীয় রামানজেম হবেন। ওঁর কষা একটুখানি প্রব্লেম আইনস্টাইনকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, যা উত্তর পেয়েছিলেন সেটা আমি দেখেছি। এমন লোককে সাহায্য করতে হলে তাঁর মান বাঁচিয়ে করতে হয়। আমি তাই বললাম, ওঁর কাছে গণিত শিখব। মামা খাব খাশি। শিক্ষাখাতে ট্রাস্টফাণ্ড থেকে কিছু থোক টাকা আমার হাতে রেখে দিয়েছেন। তারই থেকে আমি ওঁকে বত্তি দিই ৷” অভাঁকের মুখ কেমন এক রকম হয়ে গেল। একট, হাসবার চেষ্টা করে বললে, “এমন আর্টিস্টও হয়তো আছে যে উপযুক্ত সংযোগ পেলে মিকেল আঞ্জেলোর অন্তত দাড়ির কাছটাতে পৌছতে পারত।" s “কোনো সযোগ না পেলেও হয়তো পারবে পেখিতে। এখন বলো আমার কাছ टणक छैोकान्नै हमट्व कि ना ।” । l , , , , , " . . .