প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఫిషా8 গল্পগুচ্ছ ছটাইয়া দিলেন। পলাইবার পথ রন্ধ দেখিয়া সৈন্যেরা উন্মত্তের ন্যায় লড়িতে লাগিল। ইশা খাঁ দই হাতে দুই তলোয়ার লইলেন—তাঁহার চতুঃপাশেব একটি লোক তিষ্ঠিতে পারিল না। যন্ধক্ষেত্রের এক পথানে একটি ক্ষুদ্র উৎস উঠিতেছিল, তাহার জল রক্তে লাল হইয়া উঠিল । ইশা খাঁ শত্রর বহে ভাঙিয়া ফেলিয়া লড়িতে লড়িতে প্রায় পবতের শিখর পৰ্যন্ত উঠিয়াছেন, এমন সময় এক তাঁর আসিয়া তাঁহার বক্ষে বিন্ধ হইল। তিনি আল্লার নাম উচ্চারণ করিয়া ঘোড়ার উপর হইতে পড়িয়া গেলেন। যবেরাজের জানতে এক তীর, পষ্ঠে এক তাঁর এবং তাঁহার বাহন হাতির পঞ্জরে এক তাঁর বিদ্ধ হইল। মাহত হত হইয়া পড়িয়া গিয়াছে। হাতি যন্ধক্ষেত্র ফেলিয়া উন্মাদের মতো ছয়টিতে লাগিল। যবেরাজ তাহাকে ফিরাইবার অনেক চেষ্টা করিলেন, সে ফিরিল না। অবশেষে যন্ত্রণায় ও রক্তপাতে দলবল হইয়া ষন্ধক্ষেত্র হইতে অনেক দরে কর্ণফুলি নদীর তীরে হাতির পিঠ হইতে মাছিত হইয়া পড়িয়া গেলেন। একাদশ পরিচ্ছেদ আজ রাত্রে চাঁদ উঠিয়াছে। অন্য দিন রাত্রে যে সবজে মাঠের উপরে চাঁদের আলো বিচিত্রবণ ছোটো ছোটো বনফলের উপর আসিয়া পড়িত, আজ সেখানে সহস্ৰ সহস্ৰ মানুষের হাত পা কাটা-মন্ডু ও মতদেহের উপর আসিয়া পড়িয়াছে— যে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ উৎসের জলে সমস্ত রাত ধরিয়া চন্দ্রের প্রতিবিম্ব নত্য করিত, সে উৎস মত অশেবর দেহে প্রায় রন্ধ— তাহার জল রক্তে লাল হইয়া গেছে। কিন্তু দিনের বেলা মধ্যাহ্নের রৌদ্রে যেখানে মৃত্যুর ভীষণ উৎসব হইতেছিল, ভয় ক্ৰোধ নিরাশা হিংসা সহস্র হদয় হইতে অনবরত ফেনাইয়া উঠিতেছিল— অস্ত্রের ঝনঝন, উন্মাদের চীৎকার, আহতের আতনাদ, অশেবর হেষা, রণশঙ্খের ধবনিতে নীল আকাশ যেন মলিথত হইতেছিল— রাত্রে চাঁদের আলোতে সেখানে কী অগাধ শান্তি, কী সংগভীর বিষাদ! মৃত্যুর নত্য যেন ফরাইয়া গেছে, কেবল প্রকাণ্ড নাট্যশালার চারি দিকে উৎসবের ভগ্নাবশেষ পড়িয়া আছে। সাড়াশব্দ নাই, প্রাণ নাই, চেতনা নাই, হাদয়ের তরঙ্গ সতব্ধ। এক দিকে পবতের সদেীঘ ছায়া পড়িয়াছে, এক দিকে চাঁদের আলো। মাঝে মাঝে পাঁচ-ছয়টা করিয়া বড়ো বড়ো গাছ ঝাঁকড়া মাথা লইয়া শাখা প্রশাখা জটাজট অাঁধার করিয়া স্তব্ধ হইয়া দাঁড়াইয়া আছে। ইন্দ্রকুমার যুদ্ধের সমস্ত সংবাদ পাইয়া যখন যবেরাজকে খুজিতে আসিয়াছেন, তখন যবেরাজ কর্ণফুলি নদীর তীরে ঘাসের শয্যার উপর শ্যইয়া আছেন। মাঝে মাঝে অঞ্জলি পরিয়া জল পান করিতেছেন, মাঝে মাঝে নিতান্ত অবসন্ন হইয়া চোখ বলজিয়া আসিতেছে। দরে সমুদ্রের দিক হইতে বাতাস আসিতেছে। কানের काहछ् कूलकूठ कब्रिग्ना ननौब्र छल वाश्झा याईष्ऊद्दछ । छनधाभौ नाई। प्लाव्रि मिट्टक বিজন পবত দড়িাইয়া আছে—বিজন অরণ্য ঝাঁ ঝাঁ করিতেছে- আকাশে চন্দ্র একাকী, জ্যোৎস্নালোকে অনন্ত নীলাকাশ পাডুবৰ্ণ হইয়া গিয়াছে। এমন সময়ে ইন্দ্রকুমার যখন বিদীর্ণ হৃদয়ে দাদা’ বলিয়া ভাকিয়া উঠিলেন,